ঘটনার সূত্রপাত বৃহস্পতিবার সন্ধায়। কোন্নগর মাস্টার পাড়ায় একটি বাড়িতে আমগাছ দেখতে পেয়ে আম পাড়তে যায় দুই কিশোর। তাঁদের হাতেনাতে ধরে ফেলে স্থানীয় এক টোটোচালক। সুযোগ পেয়ে একজন পালিয়ে যায়।
.jpg.webp)
ছবি- গুগল
শেষ আপডেট: 7 June 2025 22:13
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আম পাড়াকে কেন্দ্র করে এক মধ্যযুগীয় বর্বরতার সাক্ষী থাকল কোন্নগর। কিশোরকে বেধরক মারধরের অভিযোগ পরিবারের। গুরুতর জখম অবস্থায় ভর্তি করা হয়েছে হাসপাতালে (Konnagar Minor Boy Injured)। অভিযুক্তর গ্রেফতারির দাবিতে বিক্ষোভ স্থানীয়দের।
ঘটনার সূত্রপাত বৃহস্পতিবার সন্ধায়। কোন্নগর মাস্টার পাড়ায় একটি বাড়িতে আমগাছ দেখতে পেয়ে আম পাড়তে যায় দুই কিশোর। তাঁদের হাতেনাতে ধরে ফেলে স্থানীয় এক টোটোচালক। সুযোগ পেয়ে একজন পালিয়ে যায়।
চোদ্দ বছরের আক্রান্ত কিশোরের (Minor Boy Injured) পরিবারের অভিযোগ, ছেলেকে লাঠি দিয়ে মারা হয়েছে। মাথার পিছনে রক্ত জমাট বেঁধে গিয়েছে। চোখের নীচের হাড় ভেঙেছে। শরীরের একাধিক জায়গায় কালশিটে দাগ।
এই ঘটনার পরই অভিযুক্ত টোটো চালককে (Accused Toto Driver) গ্রেফতার এবং উপযুক্ত শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ দেখায় স্থানীয়রা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় উত্তরপাড়া থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। কিশোরকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
শুক্রবার থেকে চোখে প্রচণ্ড ব্যথা শুরু হয় কিশোরের। যন্ত্রণার কারণে বারবার জ্ঞান হারিয়ে ফেলছিল। এরপরই তাকে শ্রীরামপুর হাসপাতাল থেকে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। বর্তমানে সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে কিশোর।
উত্তরপাড়া থানার (Uttarpara Polie Station) পুলিশ মামলা রুজু করে ঘটনা তদন্ত শুরু করেছে। তবে ৪৮ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা যায়নি। ক্ষোভে ফুঁসছে এলাকাবাসী। পুলিশি নিষ্ক্রিয়তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা।
দিন কয়েক আগেই গোবরডাঙায় আম পাড়া নিয়ে দুই বন্ধুর বচসা হয়েছিল। একসময় তা হাতাহাতির পর্যায় পৌঁছে যায়। অভিযোগ, হাতাহাতির মধ্যেই বসির নামের যুবককে ভারী কিছু দিয়ে পরপর আঘাত করে তাঁর বন্ধু রাজিবুল। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় বসিরের। পুলিশ জানিয়েছে, এলাকার কয়েকজনের ঝামেলা থামাতে গিয়ে তাঁদের মধ্যেই গণ্ডগোল বাধে। সেই থেকেই এই মর্মান্তিক পরিণতি।
গত মাসেই আম পাড়াকে কেন্দ্র করে বাসন্তীতে এক নৃশংস ঘটনা ঘটে যায়। জমির আম কারা নেবে? এনিয়ে দুই পরিবারের বিবাদ শুরু হয়। অশান্তির মাঝেই ধারাল অস্ত্র দিয়ে বৌদির মুন্ডু ধর থেকে আলাদা করে দেয় দেওর। সেই কাটা মুন্ডু এক হাতে নিয়ে থানায় যান অভিযুক্ত। তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
নিউটাউনে ভাইকে খুন করার অভিযোগ ওঠে দাদার বিরুদ্ধে। পুলিশ জানিয়েছিল, গাছের আম পাড়া নিয়ে দুই ভাইয়ের বিবাদ শুরু হয়েছিল। বচসা থেকেই হাতাহাতি শুরু হয়। ভাইকে বেধরক মারধর করে দাদা। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।