
শেষ আপডেট: 24 July 2019 07:41
ওই এলাকায় একটি শৌচাগারে কী করে এই ব্যবস্থা করা হচ্ছে, কেনই বা বাচ্চাদের স্বাস্থ্যের কথা ভাবা হচ্ছে না! এই প্রশ্নে একটি জাতীয় সংবাদ মাধ্যমের কাছে রাজকুমারি যোগী বলছেন জায়গার অভাব, তাই এই উপায়। রাজকুমারি অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী হিসেবে বহুদিন কাজ করছেন। তাঁর বক্তব্য, বহুদিন এ বিষয়ে তাঁরা সুনির্দিষ্ট জায়গায় অভিযোগ করেও কোনও সুরাহা পাননি। তাই তাঁরা বাধ্য হয়েই এই কাজ করছেন।
অন্যদিকে এ বিষয়ে স্থানীয় শিশু ও মহিলা উন্নয়ন দফতরের আধিকারিক প্রিয়াঙ্কা বাঙ্কারকে জিজ্ঞাসা করা হলে, তিনি দাবি করেন, এই ব্যবস্থা সাময়িক। সেখানে একটি নির্মীয়মাণ ভবনে এখনও অবধি ব্যবহার না হওয়া শৌচাগারে রান্না হচ্ছে, কারণ আর কোথাও জল নেই। ওখানেই শুধু জলের সাপ্লাই আছে, তাই ওখানে রান্না করা হয়। আর বাচ্চাদের স্বাস্থ্যের কোনও ক্ষতি হচ্ছে কি না, সে বিষয়ে তিনি কিছুই বলতে চাননি।
এর আগেও মধ্যেপ্রদেশের শিবপুরিতে এ জাতীয় অভিযোগ উঠেছিল। এর আগে শৌচাগারে মুদিখানা চলেছে এখানে, কোথাও আবার রান্না করা হয়েছে শিবপুরির কোনও শৌচাগারেই। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, প্রশাসন কি এগুলো চোখে দেখে না, না কি দেখেও নির্বিকার!