Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
‘কোভিড ভ্যাকসিনই হার্ট অ্যাটাকের কারণ!’ শেন ওয়ার্নের মৃত্যু নিয়ে ছেলের মন্তব্যে নতুন বিতর্ক এবার রক্তদান শিবিরেও কমিশনের ‘নজরদারি’! রক্তের আকাল হলে কী হবে রোগীদের? প্রশ্ন তুললেন কুণালমারাঠি না জানলে বাতিল হবে অটো-ট্যাক্সির লাইসেন্স! ১ মে থেকে কড়া নিয়ম মহারাষ্ট্রেআশা ভোঁসলেকে শ্রদ্ধা জানাতে স্থগিত কনসার্ট, গায়িকার নামে হাসপাতাল গড়ার উদ্যোগউৎসবের ভিড়ে হারানো প্রেম, ট্রেলারেই মন কাড়ছে ‘উৎসবের রাত্রি’‘বাংলাকে না ভেঙেই গোর্খা সমস্যার সমাধান’, পাহাড় ও সমতলের মন জিততে উন্নয়নের ডালি শাহেরথাকবে না লাল কার্ড, খেলা ৫০ মিনিটের! ফুটবলকে আরও জনপ্রিয় করতে ছকভাঙা প্রস্তাব নাপোলি-প্রধানেরনতুন সূর্যোদয়! নীতীশের ছেড়ে যাওয়া মসনদে সম্রাট চৌধুরী, প্রথম বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী পেল বিহারমাত্র ৫০০ টাকার পরীক্ষা বাঁচাবে কয়েক লাখের খরচ, কেন নিয়মিত লিভারের চেকআপ জরুরি?অভিষেক ও তাঁর স্ত্রীর গাড়িতে তল্লাশির নির্দেশ! কমিশনের ‘হোয়াটসঅ্যাপ নির্দেশ’ দেখাল তৃণমূল

১০০ দিনের টাকা গরিবের অধিকার, আটকে রাখা ঠিক নয়! বড় পর্যবেক্ষণ কলকাতা হাইকোর্টের

গত অক্টোবরে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দেয়, বাংলার সমস্ত বকেয়া ১০০ দিনের টাকা কেন্দ্রকে মিটিয়ে দিতেই হবে। তা সত্ত্বেও এখনও রাজ্যের অভিযোগ, কেন্দ্র ইচ্ছাকৃতভাবে অর্থ আটকে রেখেছে।

১০০ দিনের টাকা গরিবের অধিকার, আটকে রাখা ঠিক নয়! বড় পর্যবেক্ষণ কলকাতা হাইকোর্টের

গ্রাফিক্স-দ্য ওয়াল।

সুমন বটব্যাল

শেষ আপডেট: 14 January 2026 12:41

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ১০০ দিনের কাজের (100 Days Work) বকেয়া টাকা নিয়ে কেন্দ্র–রাজ্য টানাপড়েনের মধ্যেই গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ করল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। শীর্ষ আদালতের নির্দেশের পরও বাংলার প্রাপ্য MGNREGA অর্থ না মেলায় যে মামলা দায়ের হয়েছিল, তার শুনানিতেই প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের মন্তব্য গরিব মানুষই ১০০ দিনের কাজ করেন, সেই টাকা তাঁদের হাতে পৌঁছনো জরুরি। ওই অর্থ আটকে রাখা কোনওভাবেই যুক্তিসঙ্গত নয়।

গত অক্টোবরে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দেয়, বাংলার সমস্ত বকেয়া ১০০ দিনের টাকা কেন্দ্রকে মিটিয়ে দিতেই হবে। তা সত্ত্বেও এখনও রাজ্যের অভিযোগ, কেন্দ্র ইচ্ছাকৃতভাবে অর্থ আটকে রেখেছে। এই অভিযোগ ঘিরেই বিষয়টি পৌঁছয় কলকাতা হাইকোর্টে।

এদিন শুনানিতে রাজ্যের তরফে আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় দ্রুত বকেয়া টাকা ছাড়ার দাবি জানান। তাঁর বক্তব্য, গরিব শ্রমিকদের প্রাপ্য টাকা দীর্ঘদিন ধরে আটকে রাখা হচ্ছে। পাল্টা কেন্দ্রের আইনজীবী প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ তোলেন। দু’পক্ষের সওয়ালের পরই প্রধান বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, দুর্নীতির অভিযোগ থাকলেও গরিব শ্রমিকদের টাকা আটকে রাখা যায় না।

বিধানসভা ভোটের মুখে আদালতের এই মন্তব্য রাজনৈতিক দিক থেকেও তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে শাসকদল। ইতিমধ্যেই ‘বাংলা বিরোধী’ কেন্দ্রীয় মনোভাবের অভিযোগে সরব হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণের পর কড়া প্রতিক্রিয়া দেন তৃণমূলের রাজ্য সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার। তাঁর দাবি, ‘‘কেন্দ্র অনৈতিকভাবে ১০০ দিনের টাকা আটকে রেখেছে। আদালতের পর্যবেক্ষণেই স্পষ্ট, গরিব মানুষের অধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে।’’

অন্য দিকে, বিজেপি রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগেই অনড়। বিজেপি সাংসদ ও কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারের বক্তব্য, ‘‘রাজ্যের বরাদ্দ শূন্য হওয়াই স্বাভাবিক, কারণ রাজ্য সরকার টাকা চুরি করেছে।’’

সব মিলিয়ে ১০০ দিনের কাজের প্রকল্প নিয়ে কেন্দ্র–রাজ্যের সংঘাত অব্যাহত। হাইকোর্টের এই পর্যবেক্ষণের পর কেন্দ্র আদৌ বকেয়া টাকা ছাড়ে কি না, সেদিকেই এখন তাকিয়ে বাংলা।


```