
শেষ আপডেট: 26 November 2019 15:26
পথচারীদের তরফে এমনই অভিযোগ উঠেছিল মঙ্গলবার সকাল থেকেই। কিন্তু কীভাবে, কারা এই কাজ করল, কাদের গাফিলতিতে এমনটা হল, তা জানা যায়নি দিনভর চেষ্টা করেও। কারও কোনও হেলদোলও চোখে পড়েনি। মেডিক্যাল কলেজের ওই এক নম্বর গেটের কাছেই রয়েছে একটি কমপ্যাক্টর। সেখান থেকে কি কোনও ভাবে নোংরাগুলো বেরিয়ে পড়ে রাস্তায়?
ওই কম্প্যাক্টরের দায়িত্বে থাকা পুরসভার কর্মী দেবাশিস রায় বলেন, "এমনটা এই প্রথম নয়। আগেও ওভাবে বর্জ্য ছড়িয়ে পড়ে থেকেছে পথের উপরে। ওই বর্জ্যের দায়িত্ব আমাদের নয়। কিন্তু তবু আমরা মাঝেমাঝেই নিজেদের দায়িত্বে ওই বর্জ্য সাফ করি। কিন্তু এটা বারবার বলেও বন্ধ হচ্ছে না।"
পুরসভার সরোজ নামের এক নিচুতলার কর্মী, যিনি মেডিক্যাল কলেজ চত্বর পরিষ্কার করার কাজ করেন তিনি টেলিফোনে জানালেন, "আমরা চত্বর সাফাই করার কাজ করি। সব কিছু পরিষ্কার করে কলেজ স্ট্রিটের ভ্যাটে ফেলে আসি। কিন্তু মেডিক্যাল বর্জ্য কোথায় কীভাবে ফেলা হবে, তা আমাদের দায়িত্ব নয়। ওটার জন্য হাসপাতালের আলাদা কর্মী আছে। কোথায় কোন বর্জ্য কী ভাবে ফেলা হবে, তা কর্তৃপক্ষই ঠিক করেন।"
মেডিক্যাল কলেজের সুপার ইন্দ্রনীল বিশ্বাসকে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে তিনি জানান, এমনটা হওয়ার কথা নয়। হাসপাতালের বাইরে যদি পড়ে থাকে, তবে তা সাফাইকর্মীদেরই গাফিলতি। তাঁর কথায়, "হাসপাতালের বাইরেটা কর্তৃপক্ষের এক্তিয়ার নয়। কিন্তু ভেতরে বা বাইরে কোনওখানেই এমনটা হওয়া বাঞ্ছনীয় নয়। আমি নিজে গিয়ে দেখে আসব, কেন এমন সমস্যা হয়েছে।"