Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
স্কি, ক্যান্ডেললাইট ডিনার আর পরিবার, বিয়ের জন্মদিনে কোন স্মৃতিতে ভাসলেন আলিয়া? পরপর দু’বার ছাঁটাই! চাকরি হারিয়ে 'বিহারি রোল' বানানো শুরু, এখন মাসে আয় ১.৩ কোটিনববর্ষে সস্তায় পেটপুরে খাওয়া! দুই বাংলার মহাভোজ একই থালিতে, হলিডে ইন-এ শুরু হচ্ছে ‘বৈশাখী মিলনমেলা’কষা মাংস থেকে কাটলেট! নববর্ষে তাজের সমস্ত হোটেলে জিভে জল আনা ভোজ, রইল সুলুকসন্ধানপিএসএল ছেড়ে আইপিএলে আসার কড়া মাশুল! ২ বছরের জন্য সাসপেন্ড কেকেআরের এই পেসার রণবীর-দীপিকার ৮ বছরের দাম্পত্যে বিচ্ছেদ! স্বামীর সঙ্গে বাড়তে থাকা দূরত্বই কি ডিভোর্সের কারণ?'বিজেপির কথায় চললে আমাদের কাছেও তালিকা থাকবে', পুলিশ কর্তাদের চরম হুঁশিয়ারি ব্রাত্য বসুর!একসময় নীতীশকেই কুর্সি থেকে সরানোর শপথ নিয়েছিলেন! তাঁর ছেড়ে যাওয়া পদেই বসলেন শকুনি-পুত্র‘একজনকে ধরলে হাজার জন বেরোবে...’, আইপ্যাক ডিরেক্টর গ্রেফতারের পরই নাম না করে হুঁশিয়ারি মমতারনববর্ষে বাঙালিয়ানার ষোলো আনা স্বাদ! ঢাকাই কালো ভুনা থেকে আম পেঁয়াজির যুগলবন্দি, মিলবে এই রেস্তরাঁয়

বিয়ে মানেই শারীরিক সম্পর্কের ছাড়পত্র নয়: দিল্লি হাইকোর্ট

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিয়ে করা মানেই কোনও মেয়ে শারীরিক সম্পর্কের জন্য সম্মত, এমনটা নয় বলেই জানাল দিল্লি হাইকোর্ট। একই সঙ্গে জানায়, ধর্ষণ মানেও শুধুমাত্র শারীরিক বলপ্রয়োগ নয়। বৈবাহিক ধর্ষণ সংক্রান্ত একটি মামলার রায়ে আদালত জানায়, বিয়ের পরেও কোনও ম

বিয়ে মানেই শারীরিক সম্পর্কের ছাড়পত্র নয়: দিল্লি হাইকোর্ট

শেষ আপডেট: 18 July 2018 02:44

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিয়ে করা মানেই কোনও মেয়ে শারীরিক সম্পর্কের জন্য সম্মত, এমনটা নয় বলেই জানাল দিল্লি হাইকোর্ট। একই সঙ্গে জানায়, ধর্ষণ মানেও শুধুমাত্র শারীরিক বলপ্রয়োগ নয়।

বৈবাহিক ধর্ষণ সংক্রান্ত একটি মামলার রায়ে আদালত জানায়, বিয়ের পরেও কোনও মহিলা বা পুরুষ—উভয়েরই অধিকার আছে শারীরিক সম্পর্কে ‘না’ বলার। বিচারপতি গীতা মিত্তলের একটি বেঞ্চ স্পষ্ট বলে, “বিয়ে মানেই একটি মেয়ে সর্ব ক্ষণ যৌনতায় সম্মত নয়। ধর্ষণের অভিযোগ উঠলে, নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে ওই পুরুষকে প্রমাণ করতে হবে, মেয়েটি সম্মত ও ইচ্ছুক ছিল।”

একটি বৈবাহিক ধর্ষণের মামলায় অভিযুক্ত পুরুষের হয়ে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংবঠন ‘মেন ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট’-এর তরফে আদালতের কাছে আবেদন করা হয়, এটা ধর্ষণ নয়, কারণ শারীরিক সম্পর্কের আগে কোনও বলপ্রয়োগের ঘটনা ঘটেনি। আদালত জানায়, “ধর্ষণে যে শুধু বলপ্রয়োগই গুরুত্বপূর্ণ, তা নয়। ধর্ষণে যে সব সময় শারীরিক আঘাত থাকবে, তা নয়। বর্তমান সময়ে ধর্ষণের ধারণা সম্পূর্ণ বদলে গিয়েছে।”

ওই এনজিও-র তরফে দাবি করা হয়, এক জন মহিলার ক্ষেত্রে, তিনি অনিচ্ছাকৃত যৌনতার স্বীকার—এটা বোঝানোর জন্য অনেক আইন এবং অ্যাক্ট রয়েছে। পুরুষদের সমর্থনে আইন নেই, শারীরিক সম্পর্ক স্বাভাবিক ভাবে গড়ে উঠলেও। আদালত জানায়, ভারতীয় সংবিধানের ৩৭৫ ধারা রয়েছে, যেখানে স্পষ্ট বলা রয়েছে, স্ত্রীয়ের সঙ্গে স্বাভাবিক শারীরিক সম্পর্ক কখনওই ধর্ষণ নয়।

কিন্তু আদালতের বক্তব্য, তার মানেই এই নয় যে বিয়ে করার পরে ধর্ষণ হতেই পারে না। “ধর্ষণের প্রাথমিক শর্ত শারীরিক বলপ্রয়োগ নয়। কিন্তু যদি এমন হয়, শারীরিক সম্পর্ক না স্থাপন করলে টাকাপয়সা না দেওয়ার হুমকি দিয়ে স্ত্রীকে রোজ যৌনতায় বাধ্য করা হচ্ছে, তখন কী হবে?”—প্রশ্ন তোলে আদালত।

মামলার পরবর্তী শুনানি ৮ অগাস্ট। এর আগে অবশ্য কলকাতার একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন হৃদয়া আদালতে জানিয়েছিল, বিবাহ নামের প্রতিষ্ঠানে ঢুকে পড়ার অর্থই হল, শারীরিক সম্পর্কের সম্মতি রয়েছে উভয় পক্ষেই।


```