দ্য ওয়াল ব্যুরো: সংক্রমণের লাগামছাড়া বাড়বৃদ্ধি নিয়ে উদ্বেগ তুঙ্গে। এরই মধ্যে বিপদ কয়েকগুণ বাড়ল রাজ্যের হাসপাতালগুলিতে। নানা প্রান্ত থেকে খবর আসছে, একের পর এক ডাক্তার ও নার্স আক্রান্ত হচ্ছেন। স্বাস্থ্য পরিষেবা সচল রাখাই দায় হয়ে পড়েছে। এই অবস্থায় জরুরি বৈঠক ডাকল রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর।
সূত্রের খবর, এনআরএস হাসপাতালের ৭০ জন ডাক্তার ও নার্স ইতিমধ্যেই করোনা আক্রান্ত। রাজ্যের সরকারি চক্ষু হাসপাতাল রিজিওনাল ইনস্টিটিউট অফ অপথ্যালমোলজি-তে আক্রান্ত ১২ জন চিকিৎসক। ন্যাশনাল মেডিক্যালেও সব মিলিয়ে প্রায় ৮০ জন আক্রান্ত। আর আহমেদ ডেন্টাল কলেজে আক্রান্ত চিকিৎসকের সংখ্যা ৩০-এর বেশি। চিত্তরঞ্জন সেবাসদনে আক্রান্ত ৩৬ জন চিকিৎসক।
এই অবস্থায় সরকারি স্বাস্থ্য পরিষেবা সঙ্কটের মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা ঘনিয়েছে স্বাস্থ্য মহলের অন্দরে। এদিন স্বাস্থ্য দফতরের ভার্চুয়াল বৈঠক আয়োজিত হয় স্বাস্থ্য ভবনে। বৈঠকে যোগ দেন সমস্ত সরকারি মেডিক্যাল কলেজ ও পোস্ট গ্র্যাজুয়েট কলেজের অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষরা।
জানা গেছে, এই কোভিড পরিস্থিতিতে, স্বাস্থ্য পরিষেবা বজায় রাখা যায় কীভাবে, তাই নিয়ে একটি রূপরেখা তৈরি হয়েছে বৈঠকে। পাশাপাশি, হোস্টেল বন্ধ রাখা ও এমবিবিএস পাঠ্যক্রমের পরীক্ষা নিয়েও আলোচনা হবে। স্বাস্থ্য দফতর নির্দেশ দিয়েছে, রোজ ৮০ হাজার টেস্ট করতে হবে।
এসবের মধ্যেই আজ থেকে চালু হয়েছে ১৫ থেকে ১৮ বছর বয়সিদের টীকাকরণ। কোউইন অ্যাপে দেশজুড়ে নথিভুক্ত হয়েছে তিন লক্ষেরও বেশি নাম। কলকাতার ১৬টি সরকারি স্কুলে মিলবে টিকা।
অন্যদিকে, আজই কলকাতা পুরসভায় কনটেনমেন্ট জোন ঘোষণা করার কথা। শহরের বোরো নম্বর ৩, ৭, ৮, ৯ ও ১০-এ মোট ১৭টি কনটেনমেন্ট জোন ঘোষণার সম্ভাবনা রয়েছে।