পুলিশ জানিয়েছে, অশোক নিজেই থানায় এসে আত্মসমর্পণ করেন। কেন খুন? পারিবারিক অশান্তি, আর্থিক টানাপোড়েন, না কি অন্য কোনও অজানা কারণ, সব দিকই খতিয়ে দেখছে তদন্তকারীরা।
.jpeg.webp)
ফাইল ছবি।
শেষ আপডেট: 20 August 2025 15:34
দ্য ওয়াল ব্যুরো: স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে খুন। মৃতদেহ ঘরে রেখে বাইরে তালা। তারপর সোজা দিদির বাড়ি গিয়ে পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম। তাতেই শেষ নয়। কিছু ক্ষণের মধ্যেই আত্মসমর্পণ থানায়। ঘটনাটি বুধবার সকালে ঘটেছে কোন্নগরের মাস্টারপাড়ায় (Konnagar)। রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতা সবিতা চট্টোপাধ্যায় (৫৮)। তাঁর স্বামী অশোক চট্টোপাধ্যায় কোন্নগর পুরসভার প্রাক্তন কর্মী। বর্তমানে কোনও কাজ করতেন না তিনি। ধার দেনা ও আর্থিক অনটনের মধ্যেই চলছিল সংসার। তার মধ্যেই নিত্যদিনের অশান্তি। স্থানীয়দের দাবি, এই দম্পতির মধ্যে প্রায় প্রতিদিনই ঝগড়া লেগেই থাকত।
পরিবারের তরফে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার সকালেও অশোক ও সবিতার মধ্যে প্রবল বিবাদ হয়। এরপর সকালে হঠাৎই তালা দিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান অশোক। যান দিদি চন্দনা চট্টোপাধ্যায়ের কাছে। সোজা পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করেন। আচমকা এমন আচরণে চমকে যান দিদি।
এর পরেই ঘটনার মোড়। ত্রিবেণীতে থাকা ছোড়দিদিকে ফোন করে অশোক বলেন, ‘‘সবিতাকে মেরে ফেলেছি।’’ ছোড়দি তখনই ফোন করেন বড়দিদিকে। চমকে যান সকলেই।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় উত্তরপাড়া থানার পুলিশ। সঙ্গে ছিলেন স্থানীয় কাউন্সিলর বিশ্বরূপ চক্রবর্তী। দরজার তালা ভেঙে উদ্ধার হয় সবিতার নিথর দেহ। পুলিশ প্রাথমিক তদন্তে মনে করছে, শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়েছে তাঁকে। ময়নাতদন্তের রিপোর্টের অপেক্ষায় তদন্তকারীরা।
পুলিশ জানিয়েছে, অশোক নিজেই থানায় এসে আত্মসমর্পণ করেন। কেন খুন? পারিবারিক অশান্তি, আর্থিক টানাপোড়েন, না কি অন্য কোনও অজানা কারণ, সব দিকই খতিয়ে দেখছে তদন্তকারীরা।