Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
রহস্য আর মনের অন্ধকারে ঢুকে পড়ল ‘ফুল পিসি ও এডওয়ার্ড’! টিজারে চমকজিৎ-প্রযোজক দ্বন্দ্বে আটকে মুক্তি! ‘কেউ বলে বিপ্লবী, কেউ বলে ডাকাত’-এর মুক্তি বিশ বাঁও জলে?কিউআর কোড ছড়িয়ে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ! কীভাবে রাতারাতি নয়ডার বিক্ষোভের প্ল্যানিং হল, কারা দিল উস্কানি?নয়ডা বিক্ষোভ সামাল দিতে 'মাস্টারস্ট্রোক' যোগী সরকারের! শ্রমিকদের বেতন বাড়ল ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত Jeet: ভুয়ো প্রচার! ভোট আবহে গায়ে রাজনীতির রঙ লাগতেই সরব জিৎ৪ হাজার থেকে নিমেষে ১ লক্ষ ৮৫ হাজার ফলোয়ার! এক স্পেলেই সোশ্যাল মিডিয়ার নতুন তারকা প্রফুল্লসামনে কাজল শেখ, মমতা কথা শুরু করতেই হাত নেড়ে বিরক্তি প্রকাশ অনুব্রতর! সিউড়িতে কী ঘটলEPL: নায়ক ওকাফর! ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে ৪৫ বছরের অভিশাপ মুছল লিডস, রক্ষণের ভুলে ডুবল ম্যান ইউAsha Bhosle: 'এত ভালবাসার সবটাই তোমার...,' ঠাকুমার স্মৃতি আঁকড়ে আবেগঘন পোস্ট নাতনি জানাইয়েরSupreme Court DA: ডিএ নিয়ে সময়সীমা বৃদ্ধির আর্জি, বুধবার রাজ্যের মামলা শুনবে সুপ্রিম কোর্ট

কেন্দ্রীয় বঞ্চনার অভিযোগে জিএসটি নিয়ে বড় দাবি মমতার, বললেন, 'এটা আমাদের ব্লান্ডার ছিল'

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ২০২১ সালের পর থেকে বাংলায় কেন্দ্রীয় প্রকল্পের টাকা আটকে রেখেছে কেন্দ্র। এমনকি আমাদের হকের করের টাকাও দেয় না।

কেন্দ্রীয় বঞ্চনার অভিযোগে জিএসটি নিয়ে বড় দাবি মমতার, বললেন, 'এটা আমাদের ব্লান্ডার ছিল'

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

সুমন বটব্যাল

শেষ আপডেট: 10 November 2025 16:38

দ্য ওয়াল ব্যুরো: উত্তরের প্রশাসনিক বৈঠক থেকে জিএসটি নিয়ে বড় দাবি তুললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। বললেন, এভাবে রাজ্যের হকের টাকা কেড়ে নিতে দেব না। জিএসটির টাকা রাজ্যকে ফেরৎ দিতে হবে।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এদিন মুখ্যমন্ত্রী খোলামেলা স্বীকার করে নেন, “কেন্দ্র (Central Government) যখন জিএসটি-র (GST) কথা বলেছিল তখন আমরাই প্রথম করতে বলেছিলাম, এটা আমাদের বড় ব্লান্ডার ছিল! কারণ, অন্য রাজ্যকে টাকা দিচ্ছে আর বাংলায় রাজ্যের শেয়ারের টাকা না দিয়ে সব নিয়ে চলে যাচ্ছে। আমি মনে করি রাজ্যের ট্যাক্স রাজ্যকে ফেরত দেওয়া উচিত।”

আবাস যোজনা থেকে বন্যা ত্রাণ, কোনও ক্ষেত্রেই রাজ্য কেন্দ্রের কাছ থেকে ন্যূনতম ক্ষতিপূরণও পায় না বলে এদিন ফের ক্ষোভ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ২০২১ সালের পর থেকে বাংলায় কেন্দ্রীয় প্রকল্পের টাকা আটকে রেখেছে কেন্দ্র। এমনকি আমাদের হকের করের টাকাও দেয় না।

ভারত সরকারকে 'দালালদের সরকার' বলে কটাক্ষ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “সেন্ট্রাল গভার্নমেন্টের ডিফেন্স আর বর্ডার ছাড়া রাজ্যে আর কোনও মুভমেন্ট নেই। আমাদের টাকা ধ্বংস করবে, আবার আমাদেরই অপপ্রচার চালাবে। টোটাল লুট, আর বলছে ঝুট।”

তিনি উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেন, “টাকা তো দেয়ইনি উল্টে আমাদের রাজ্য থেকে ২০ হাজার কোটি টাকা নেওয়া হয়েছে। মানুষ হেলথ ইন্স্যুরেন্স থেকে সুবিধা পাচ্ছে, এর জন্য আমাদের ফান্ড থেকে ২০ হাজার কোটি টাকা গেছে। কিন্তু এর জন্য মিরজাফর, গদ্দারদের কোনও ক্রেডিট নেই।”

রাজ্যের অর্থনৈতিক স্বার্থে জিএসটি পুনর্বণ্টনের দাবি তুলে মুখ্যমন্ত্রী বললেন, “এখন সময় এসেছে রাজ্যের টাকা রাজ্যকে ফেরত দেওয়ার।”

পুজোর পর পর হঠাৎ প্রবল বৃষ্টি ও ভূমিধসে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিল উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলা। ইতিমধ্যে সেখানে মেরামতির কাজ হয়েছে। বিপর্যস্ত পরবর্তী পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে এদিন উত্তরবঙ্গ সফরে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উত্তরকন্যার প্রশাসনিক বৈঠক থেকে ফের কেন্দ্রীয় বঞ্চনার বিরুদ্ধে সরব হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। 

মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, বাংলার ৪৩ শতাংশ এলাকা নদীমাতৃক। ফি বারই ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অথচ বাংলাকে বন্যার কোনও ক্ষতিপূরণ দেয় না কেন্দ্র। বাংলাকে ভাতে মারার চেষ্টা করছে। তিস্তাকে ব্লক করে দিয়েছে, এটা ক্রিমিনাল অফেন্স নয়? তিস্তাকে বাঁচাতে হবে এটা তো ভাবে না? প্রবলেমটা ফেস করতে হয় বাংলাকে। আর ওদের নেতাদের মুখে বড় বড় কথা। 

নাম না করে মোদীকে নিশানা করে মমতা বলেন, আসলে হিংসার কোনও ওষুধ হয় না। শুধু মিথ্যে কথার বুলি। এতবড় বিপর্যয় হল কেউ এসেছে, এক পয়সাও দিয়েছে? কিচ্ছু দেয়নি। ইন্দো-ভুটান কমিশন করতে বলেছি, কিন্তু কেন্দ্র উদাসীন। একইভাবে ডিভিসির জন্য দক্ষিণবঙ্গ ভেসে যায়, অথচ কেন্দ্রের কোনও নজর নেই। তা সত্ত্বেও আমরা আমাদের উন্নয়নের কাজ থামিয়ে রাখিনি।

এখনও পর্যন্ত বাংলায় গরিবের জন্য ১কোটি বাড়ি তৈরি করেছে রাজ্য জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ডিসেম্বরেই আরও ১৬ লক্ষ বাংলার বাড়ির টাকা দেওয়া হবে। 

মাঝেমধ্যেই বন্যজন্তুর আক্রমণের মুখে পড়তে হয় উত্তরবঙ্গের পড়ুয়াদের। সমস্যা সমাধানে উত্তরের জঙ্গল এলাকার পড়ুয়াদের জন্য রাজ্য ১০টি বিশেষ বাস চালু করছে বলেও এদিন জানান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান, ইতিমধ্যে উত্তরবঙ্গে ২৪টা চা বাগান খোলা হয়েছে, ২২ হাজার শ্রমিক উপকৃত হয়েছে, এর আগে ৫৯ টা চা বাগান খোলা হয়েছে। চা শ্রমিকদের মজুরিও বাড়ানো হয়েছে।


```