
শেষ আপডেট: 28 February 2024 17:20
দ্য ওয়াল ব্যুরো: পার্টি অফিসে বসে ‘জনসংযোগ’ এর ফিরিস্তি শোনালে হবে না, মাঠে নেমে কাজ করতে হবে। বাঁকুড়া সফরে জেলা নেতৃত্বর প্রতি এমনই বার্তা দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
সূত্রের খবর, বুথস্তর পর্যন্ত জনসংযোগে জোর দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন মমতা। একদা মাও উপদ্রুত জঙ্গলমহলে উন্নয়নের ছোঁয়া লেগেছে। বাঁকুড়াও তার বাইরে নয়। এই জেলায় বিস্তর উন্নয়নের কাজ সত্ত্বেও কেন সেই অর্থ জনসমর্থন মিলছে না, তা নিয়ে বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী উষ্মা প্রকাশ করেন বলেও খবর। পরিস্থিতির জন্য দলের সাংগঠনিক দুর্বলতাকে দায়ী করেছেন তিনি। নেতা, কর্মীদের এ ব্যাপারে আরও তৎপর হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
আর মাস দেড়েক পরেই লোকসভা ভোট। ১৯ এর লোকসভা ভোটে বাঁকুড়ার দু’টি আসনই হাতছাড়া হয়েছিল তৃণমূলের। শুধু তাই নয়, একুশের লোকসভা নির্বাচনেও জেলার মোট ১২টি বিধানসভার মধ্যে ওন্দা, বিষ্ণুপুর, কোতলপুর, ইন্দাস, সোনামুখী, শালতোড়া, ছাতনা এবং বাঁকুড়া বিধানসভায় জয়ী হয়েছিল বিজেপি। তৃণমূল সাকুল্যে চারটি বিধানসভায় জয়ী হয়। এগুলি হল বড়জোড়া, রানিবাঁধ, রায়পুর ও তালডাংরা। এর মধ্যে বড়জোড়া এবং রানিবাঁধে শাসকদল অল্প ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছিল।
প্রসঙ্গত, ঊনিশের লোকসভা ভোটেও দুটি লোকসভা আসনেই প্রচুর ব্যবধানে পিছিয়ে ছিল তৃণমল। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যজুড়ে সবুজ ঝড় অব্যাহত থাকলেও বাঁকুড়া অবশ্য উলটপুরাণের সাক্ষী থেকেছিল। অর্থাৎ লোকসভা ভোটের পরেও এলাকায় বিশেষ সাংগঠনিক বৃদ্ধি ঘটাতে পারেননি জেলার নেতা, কর্মীরা। চব্বিশের লোকসভার মুখেও পরিস্থিতির বিশেষ বদল ঘটেনি বলেই খবর।
মঙ্গলবার পুরুলিয়া থেকে বাঁকুড়ায় পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। রাতে সার্কিট হাউসে জেলা নেতৃত্বর সঙ্গে সাংগঠনিক বিষয়ে বৈঠকে বসেন। সেখানেই বুথস্তর পর্যন্ত সংগঠনকে শক্তিশালী করে তোলার বার্তা দিয়েছেন নেত্রী। সূত্রের খবর, বাঁকুড়ার দুটি আসনে জয় সুনিশ্চিত করতে এবার প্রার্থী পদে বিশেষ চমক আনতে পারে তৃণমূল।