সাধারণ মানুষকে আশ্বস্ত করে মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা, “ড্রাফ্ট লিস্ট বেরোক, আমরা খতিয়ে দেখব। পাড়ায় পাড়ায় সাহায্য করব। কারও কাস্ট সার্টিফিকেট না থাকলে সরকার পাশে থাকবে। একজন জেনুইন ভোটারকেও বাদ পড়তে দেব না।”
.jpeg.webp)
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও মনোজ আগরওয়াল।
শেষ আপডেট: 25 November 2025 17:36
দ্য ওয়াল ব্যুরো: দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে আগেই মোদী সরকারের 'ইয়েস স্যার' বলে কটাক্ষ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার এ ব্যাপারে মুখ্যমন্ত্রীর নিশানায় রাজ্যের সিইও মনোজ আগরওয়ালও।
এদিন বনগাঁর সভা থেকে রাজ্যের সিইও-কে 'বাঁশের চেয়ে কঞ্চি দড়' বলে কটাক্ষ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "ইলেকশন কমিশনের এখানে আর একটা জুটেছে ছোটবাবু! ছোট স্যার! যিনি তো বাঁশের চেয়ে কঞ্চি দড়, শাড়ির চেয়ে গামছা!"
মমতার দাবি, এই ‘ছোট স্যার’ নাকি ফোন করে বুথ লেভেল অফিসারদের (BLO) হুমকি দিচ্ছেন—“জেলে ঢুকিয়ে দেব, চাকরি খেয়ে নেব!” সেই প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর কটাক্ষ, “পাঁচ মাস পরেই রিটারায়ার্ড করবে, সে নাকি চাকরি খাবে! আমার লোকেদের চাকরি খাওয়ার ক্ষমতা তার আছে?”
এরপরই বিএলওদের উদ্দেশে আশ্বস্তের সুর মুখ্যমন্ত্রীর, “যতক্ষণ শ্বাস, ততক্ষণ বিশ্বাস। অত সস্তার নই আমরা।”
একই সঙ্গে সাধারণ মানুষকে আশ্বস্ত করে মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা, “ড্রাফ্ট লিস্ট বেরোক, আমরা খতিয়ে দেখব। পাড়ায় পাড়ায় সাহায্য করব। কারও কাস্ট সার্টিফিকেট না থাকলে সরকার পাশে থাকবে। একজন জেনুইন ভোটারকেও বাদ পড়তে দেব না।”
কেন হঠাৎ মুখ্যমন্ত্রীর ক্ষোভ সিইও-র দিকে?
সূত্র অনুযায়ী, সোমবারের লেখা চিঠিতে কমিশনের দু’টি সিদ্ধান্ত নিয়ে তীব্র প্রশ্ন তুলেছিলেন মমতা। অভিযোগ— কমিশন কি বিশেষ কোনও রাজনৈতিক দলকে সুবিধা দিচ্ছে? কারণ হিসেবে মুখ্যমন্ত্রী তুলে ধরেন ডেটা এন্ট্রি অপারেটর ও সফটওয়্যার ডেভেলপার নিয়োগের প্রস্তাব। তাঁর বক্তব্য, জেলা অফিসগুলিতে আগে থেকেই কর্মী আছে। তাহলে বাইরে থেকে এত জনকে নিয়োগের প্রয়োজন হল কেন?
যদিও বিকেলে সাংবাদিক বৈঠকে সিইও মনোজ আগরওয়াল পরোক্ষে সব অভিযোগ খারিজ করে জানান— কমিশন সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ। তাঁর কথায়, “ডেটা এন্ট্রি-র কাজে চুক্তিভিত্তিক কর্মী রাখা যায় না। ”