শুক্রবার নিজের এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করে তিনি বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক আরও মজবুত করার আশা নিয়ে বার্তা দেন।

মমতা বন্দ্যপাধ্যায় ও তারেক রহমান
শেষ আপডেট: 13 February 2026 13:42
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বাংলাদেশের নির্বাচনে (Bangladesh Election) বিপুল জয়ের পর সে দেশের জনগণ এবং বিএনপি (BNP) প্রধান তারেক রহমানকে (Tarek Rahman) শুভেচ্ছা জানালেন পশ্চিমবঙ্গের (West Bengal) মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। শুক্রবার নিজের এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করে তিনি বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক আরও মজবুত করার আশা নিয়ে বার্তা দেন।
মুখ্যমন্ত্রী লেখেন, “বাংলাদেশের সকল ভাইবোনকে, জনগণকে জানাই আমার শুভনন্দন, আমার আগাম রমজান মোবারক।” পাশাপাশি তিনি তারেক রহমান, তাঁর দল এবং অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলিকেও অভিনন্দন জানান। মমতার বার্তা, “সবাই ভাল থাকুন, সুখী থাকুন।”
পোস্টে তিনি আরও উল্লেখ করেন, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সুসম্পর্ক বজায় থাকুক। রাজনৈতিক পরিবর্তনের পরিপ্রেক্ষিতে দুই বাংলার ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্কের প্রসঙ্গও তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
বাংলাদেশের সংসদীয় নির্বাচনে বিএনপির নিরঙ্কুশ জয়ের দাবি ঘিরে রাজনৈতিক সমীকরণ যখন দ্রুত বদলাচ্ছে, তখনই ঢাকার উদ্দেশে কূটনৈতিক বার্তা দিয়েছে নয়াদিল্লি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi) শুক্রবার বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট পার্টি (বিএনপি)-র নেতা তারেক রহমান (Tarek Rahman)-কে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, ভারত গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের পাশে ভবিষ্যতেও থাকবে (India supports democratic Bangladesh)।
এক্স (সাবেক টুইটার)-এ করা পোস্টে মোদী লেখেন, “বাংলাদেশের সংসদীয় নির্বাচনে বিএনপিকে নিরঙ্কুশ জয়ের পথে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য জনাব তারেক রহমানকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। এই জয় বাংলাদেশের মানুষের আপনার নেতৃত্বের উপর আস্থারই প্রমাণ (Modi congratulates Tarek Rahman)।”
তিনি আরও যোগ করেন, “গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের পাশে ভারত ভবিষ্যতেও দৃঢ়ভাবে থাকবে। আমাদের বহুমুখী সম্পর্ক আরও জোরদার করা এবং অভিন্ন উন্নয়ন লক্ষ্য পূরণে একসঙ্গে কাজ করার প্রত্যাশায় রইলাম।”
এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে ১৮ মাস আগে গঠিত অন্তর্বর্তী প্রশাসনের স্থলাভিষিক্ত সরকার বেছে নিতে। সেই অন্তর্বর্তী সরকারটির নেতৃত্বে ছিলেন মহম্মদ ইউনুস (Muhammad Yunus)।
২০২৪ সালের অগস্টে আওয়ামী লিগ (Awami League) সরকারের পতনের পর এই অন্তর্বর্তী প্রশাসন দায়িত্ব নেয়। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina)-র দল পরবর্তীতে ভেঙে দেওয়া হয়। শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে ভারতে আশ্রয় নেন এবং বর্তমানে নির্বাসনে রয়েছেন।
১৩তম সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি একটি গণভোটও অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে ৮৪ দফা সংস্কার কর্মসূচি, ‘জুলাই ন্যাশনাল চার্টার’, কার্যকর করার প্রশ্নে ভোট নেওয়া হয়। প্রসঙ্গত, গত ৩৫ বছর পর বাংলাদেশের প্রথম পুরুষ প্রধানমন্ত্রী হতে চলেছেন তারেক রহমান।