উপ রাষ্ট্রপতি পদ থেকে জগদীপ ধনকড়ের ইস্তফা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রথমে চুপ থাকলেও পরে বলেন, "উনি সুস্থ সবল মানুষ"।

গ্রাফিক্স: শুভ্র শর্ভিন
শেষ আপডেট: 22 July 2025 20:39
দ্য ওয়াল ব্যুরো: উপ রাষ্ট্রপতি পদ থেকে জগদীপ ধনকড়ের অকাল ইস্তফার কারণ নিয়ে জাতীয় রাজনীতিতে কৌতূহল ও সন্দেহের স্রোত বয়ে চলেছে। বাংলাতেও এ নিয়ে রাজনৈতিক ও আমলা মহলে কৌতূহলের শেষ নেই। তবে তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা হল, জগদীপ ধনকড়ের (Jagdeep Dhankar) ইস্তফা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee on Jagdeep Dhankar) বা বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) কেউই সোশাল মিডিয়ায় বিশেষ করে এক্স হ্যান্ডেলে কোনও পোস্ট করেননি।
পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল ছিলেন জগদীপ ধনকড়। ফলে তিনি যখন শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে ইস্তফা দিয়েছেন, অনেকে মনে করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও শুভেন্দু অধিকারী নিশ্চয়ই সমাজ মাধ্যমে কিছু বলবেন। উপ রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচনে জগদীপ ধনকড়কে সমর্থন করেছিল তৃণমূল। তাই এই কথাটা মনে হওয়াটা হয়তো স্বাভাবিক।
আবার ধনকড় পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল থাকার সময়ে শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দারুণ সম্পর্ক ছিল তাঁর। শুভেন্দুও দিল্লিতে গেলেই একবার উপ রাষ্ট্রপতি ভবনে গিয়ে ধনকড়ের সঙ্গে দেখা করার চেষ্টা করতেন।
পর্যবেক্ষকদের অনেকের মতে, শুভেন্দুও হয়তো বুঝতে পারছেন কেন্দ্রের সরকার তথা বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে সংঘাতের কারণেই ধনকড় ইস্তফা দিয়েছেন। তাই আগ বাড়িয়ে সমাজমাধ্যমে কোনও পোস্ট করেননি। এবং তাঁর সঙ্গে যতই ব্যক্তিগত সম্পর্ক থাকুক ধনকড়ের সুস্থতা কামনা করে কোনও পোস্ট করেননি।
সূত্রের খবর, তৃণমূলও দলের সব মুখপাত্রদের সোমবার রাতেই জানিয়ে দেয় এ ব্যাপারে তাঁরা যেন কোনও মন্তব্য না করেন। তবে হ্যাঁ, শুধু অসুস্থতার কারণে জগদীপ ধনকড় পদ ছেড়ে দিয়েছেন, এমনটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও মনে করছেন না। এদিন বিকেলে নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক করে মুখ্যমন্ত্রী। তাঁকে তখন এ ব্যাপারে প্রশ্ন করা হয়। জবাবে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “উনি একজন সুস্থ সবল মানুষ। আমি মনে করি ওনার শরীর ঠিকই আছে”।