
শেষ আপডেট: 19 December 2023 13:38
দ্য ওয়াল ব্যুরো, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: লিফটে আটকে পড়লেন হাসপাতালের নার্স, রোগীর আত্মীয় এবং এক চা বিক্রেতা। চরম উৎকণ্ঠায় কাটল দীর্ঘ ৮০ মিনিট। অবশেষে ক্যানিং থানার পুলিশের তৎপরতায় বাইরে আসতে পারলেন তাঁরা। বদ্ধ লিফট থেকে মুক্তি পেয়ে স্বস্তির শ্বাস ফেললেন ।
ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালের পৃথক চাইল্ড এন্ড মাদার হাব (মাতৃমা) ভবন রয়েছে। সেখানে মূলত মা ও শিশুদের চিকিৎসা হয়। পাঁচতলা এই ভবনের রোগী ও চিকিৎসকদের যাতায়াতের সুবিধার জন্য লিফট রয়েছে। মঙ্গলবার সকালে লিফটে উপরে উঠছিলেন একজন নার্স এবং রোগীর আত্মীয় লায়লা সেখ, বিলকিস খাতুন ও এক চা বিক্রেতা। মাঝপথে লিফট অচল হয়ে পড়ে। আটকে পড়েন ভিতরে থাকা চারজন। লিফটের মধ্যে আটকে থেকে কী করবেন ভেবে উঠতে পারছিলেন না তাঁরা। আতঙ্কে ঘামতে শুরু করেন।
কিছুতেই লিফটের দরজা না খোলায় বাসন্তী সোনাখালির বাসিন্দা বিলকিস খাতুন তাঁর এক নিকটাত্মীয়কে ফোন করেন। তিনি তাঁর এক পরিচিত সাংবাদিককে ঘটনার কথা জানান। তাঁর কাছ থেকে খবর পেয়ে ক্যানিং থানার পুলিশ হাসপাতালে পৌঁছয়। ততক্ষণে লিফটে আটকে পড়া মানুষদের উদ্ধারে তৎপর হয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষও। ডেকে আনা হয় টেকনিশিয়ানদের। পুলিশ ও টেকনিশিয়ানদের তৎপরতায় বাইরে আসতে পারেন লিফটে আটকে থাকা চারজন। ততক্ষণে একঘণ্টারও বেশি সময় কেটে গেছে।
ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালের সহকারী সুপার বসুমিতা আঢ্য জানিয়েছেন, লিফটে একজন নার্স সহ মোট চারজন আটকে গিয়েছিলেন। উদ্ধার করা হয় তাঁদের। আপাতত লিফট বন্ধ থাকবে। তিনি বলেন, “লিফট রক্ষণাবেক্ষণ সম্পর্কে আমরা ঊদ্ধর্তন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। আশা করছি খুব দ্রুত সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।” লিফট বন্ধ থাকায় চরম সমস্যায় পডেছেন মা ও শিশুরা। অনেক মাকেই সদ্যোজাত সন্তানকে আগলে নিয়ে সিঁড়ি দিয়ে নামতে হচ্ছে।