পুরসভা দখল করায় নিলামে অনিশ্চয়তা, জমিতে ‘রাতারাতি’ মন্দির গজিয়ে আরও জট
.jpeg.webp)
নিজস্ব চিত্র।
শেষ আপডেট: 9 September 2025 15:55
দ্য ওয়াল ব্যুরো: পুজোর আগেই বেআইনি অর্থলগ্নি সংস্থা থেকে টাকা ফেরতের আশায় দিন গুনছেন আমানতকারীরা। কিন্তু জমি নিলাম ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন জটিলতা।
মালদহ শহরের ইবলিশবাজার থানার অন্তর্গত দুটি জমি— যেগুলি ‘আনেক্স গ্রুপ’ ও ‘ওয়ারিশ গ্রুপ’-এর নামে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল (Land Auction)— সেই জমির একটির দখল রয়েছে ইংলিশবাজার পুরসভার হাতে, এবং অন্যটিতে রাতারাতি গজিয়ে উঠেছে একটি মন্দির। এমনটাই উঠে এসেছে পরিদর্শনে গিয়ে।
২০১৫ সালে হাইকোর্টের (Calcutta High Court) নির্দেশে গঠিত হয়েছিল বিচারপতি শৈলেন্দ্র প্রসাদ তালুকদারের নেতৃত্বে একটি কমিটি। বেআইনি অর্থলগ্নি সংস্থার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে আমানতকারীদের টাকা ফেরানোই ছিল সেই কমিটির লক্ষ্য। বর্তমানে সেই দায়িত্ব সামলাচ্ছেন প্রাক্তন বিচারপতি সুব্রত তালুকদার।
এই কমিটির সুপারিশে, গত ৫ অগস্ট সেবি নিলামের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। কিন্তু ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, দুটি জমিরই ‘বাস্তব দখল’ সরকারের হাতে নেই। আইনজীবী অরিন্দম দাস আদালতে জমির ছবি ও দখলের প্রমাণ জমা দিয়েছেন।
নিলাম আদৌ সম্ভব?
নিয়ম অনুযায়ী, জমি দখলমুক্ত না হলে তা নিলামে তোলা যায় না। ফলে নিলাম হলেও তা বাস্তবায়িত হবে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। আর সেই প্রশ্নের উত্তর না মেলাই আমানতকারীদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে।
তবে বহু প্রতারিত মানুষ এখনও ভরসা রাখছেন আদালতের উপরেই। তাঁদের আশা, বিচারপতি তালুকদারের নেতৃত্বে কোনও না কোনও আইনি পথ বেরোবে— যাতে তাঁরা অন্তত পুজোর মুখে কিছুটা হলেও নিজেদের পাওনা ফেরত পেতে পারেন।