মামলার সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে গোলাম সাবির ১৩ লক্ষ টাকার গৃহঋণ নেন একটি হাউসিং ফিনান্স কোম্পানি (এইচএফসি) থেকে। প্রথম কয়েক মাস কিস্তি নিয়মিত জমা পড়লেও পরে তা বন্ধ হয়ে যায়।

গ্রাফিক্স-দ্য ওয়াল।
শেষ আপডেট: 26 December 2025 20:05
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ২০ লক্ষ টাকার কম গৃহঋণ খেলাপ হলে আর বাড়ি বা জমি বাজেয়াপ্ত করে টাকা আদায় করতে পারবে না ঋণদানকারী আর্থিক সংস্থা। এমনই গুরুত্বপূর্ণ রায় দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Land and houses cannot be confiscated for home loans of less than Rs 20 lakh)।
আদালতের (Calcutta High Court) স্পষ্ট মন্তব্য, এই সীমার নীচে থাকা ঋণে সরফেসি আইন প্রয়োগ করা বেআইনি। সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে টাকা আদায়ের জন্য আদালতেরই দ্বারস্থ হতে হবে।
মামলার সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে গোলাম সাবির ১৩ লক্ষ টাকার গৃহঋণ নেন একটি হাউসিং ফিনান্স কোম্পানি (এইচএফসি) থেকে। প্রথম কয়েক মাস কিস্তি নিয়মিত জমা পড়লেও পরে তা বন্ধ হয়ে যায়। এরপরই সরফেসি আইন মেনে সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের প্রক্রিয়া শুরু করে সংস্থা।
এ নিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন সাবির। তাঁর আইনজীবীদের যুক্তি, ২০২০ ও ২০২১ সালে কেন্দ্র ও আরবিআই-এর বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ব্যাঙ্ক-নয় এমন আর্থিক প্রতিষ্ঠান (এনবিএফসি) ২০ লক্ষ টাকার কম ঋণে এমন কঠোর পদক্ষেপ করতে পারে না।
সংস্থার তরফে পাল্টা সওয়াল, এইচএফসি আসলে এনবিএফসি নয়, ফলে ওই নিয়ম প্রযোজ্য হওয়ার কথা নয়।
কিন্তু আদালত তা মানেনি। বিচারপতি স্পষ্ট করেন, ২০১৯ সালেই আরবিআই জানিয়েছে—সব হাউসিং ফিনান্স কোম্পানিই কার্যত এনবিএফসি-র আওতাভুক্ত। ফলে একই নিয়ম তাঁদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।
হাইকোর্টের নির্দেশ, সরফেসি আইন মেনে জোর করে সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত বা নিলাম নয়, ঋণের টাকা আদায় করতে হলে মামলা করতেই হবে আদালতে।