পুলিশ সূত্রের খবর, কলেজ ছাত্রী ঈশিতা মল্লিককে খুনের (Krishnanagar Murder Case) পর পলাতক ছিলেন দেশরাজ। তদন্তকারীরা দীর্ঘ খোঁজাখুঁজি শেষে উত্তরপ্রদেশের একটি গোপন স্থান থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে।

কৃষ্ণনগর ছাত্রী খুন
শেষ আপডেট: 7 September 2025 16:37
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কৃষ্ণনগর হত্যাকাণ্ডে (Krishnanagar Murder Case) অভিযুক্ত ছেলে দেশরাজকে পালাতে সাহায্য করেছিলেন, এই অভিযোগে গ্রেফতার করা হল রাঘবেন্দ্র প্রতাপ সিংকে। রবিবার রাজস্থান থেকে কোতয়ালি থানার পুলিশ তাঁকে পাকড়াও করে। জানা যায়, হত্যাকাণ্ডের পর দেশরাজকে (Deshraj Singh) নিরাপদ আশ্রয় দেওয়ার পরিকল্পনায় বাবার মদত দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
পুলিশ সূত্রের খবর, কলেজ ছাত্রী ঈশিতা মল্লিককে খুনের (Krishnanagar Murder Case) পর পলাতক ছিলেন দেশরাজ। তদন্তকারীরা দীর্ঘ খোঁজাখুঁজি শেষে উত্তরপ্রদেশের একটি গোপন স্থান থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে। এর আগে, দেশরাজকে গা ঢাকা দিতে সাহায্য করার অভিযোগে তাঁর মামা কুলদীপ সিংকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। রাঘবেন্দ্র সিংয়ের নাম তদন্তের সময় উঠে আসে কারণ তিনি তাঁর ছেলেকে হোটেল, মোবাইল ও অর্থ-সহ বিভিন্নভাবে সহায়তা করেছিলেন।
রাঘবেন্দ্র সিং বিএসএফে কর্মরত ছিলেন। তাই গ্রেফতারির ক্ষেত্রে জেলা পুলিশের হাতে তাঁর হস্তান্তর নিয়ে জটিলতা দেখা দিয়েছিল। দীর্ঘ টালবাহানার পর, জয়সলমীর আদালতের নির্দেশে পুলিশ তাঁকে আটক করতে সক্ষম হয়।
কৃষ্ণনগরের তরুণী ছাত্রী ঈশিতা মল্লিক খুনে মূল অভিযুক্ত দেশরাজ সিংকে গত সপ্তাহে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অভিযোগ, প্রেমিকা সম্পর্ক ভাঙতে চাইলে দেশরাজ হঠাৎই মেয়েটির বাড়িতে ঢুকে গুলি চালিয়ে খুন করে। ঘটনার পর থেকেই পলাতক ছিলেন তিনি। শুরু হয় পুলিশি তদন্ত। অনুমান করা হয়েছিল, দেশরাজ উত্তরপ্রদেশ বা নেপাল সীমান্তে আত্মগোপন করতে পারে। সেই সূত্র ধরে একাধিক দল পাঠানো হয়। এরপরই গত সোমবার তাঁকে উত্তরপ্রদেশের (Uttarpradesh) সীমান্ত এলাকা থেকে ধরা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছিল, দেশরাজ আদতে উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দা হলেও দীর্ঘদিন উত্তর ২৪ পরগনার বীজপুরে থাকতেন। কৃষ্ণনগরে কলেজছাত্রীকে খুনের পর সে নিজের রাজ্যে পালিয়ে যায় বলে অনুমান পুলিশের। অভিযুক্তকে ধরতে কৃষ্ণনগর থানার বিশেষ দল উত্তরপ্রদেশের তিনটি আলাদা ঠিকানায় অভিযান চালায়। তল্লাশিতে দেশরাজের বাড়ি থেকে একটি সিম কার্ড উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার দেওরিয়ার কাছাকাছি এলাকায় অভিযান চালিয়েই পুলিশ কুলদীপ সিংকে ধরে। এখন তিনজনকে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করা হতে পারে বলেও অনুমান করা হচ্ছে।