Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনের

মহিলা চিকিৎসকের সঙ্গে মদ্যপ অবস্থায় অশ্লীল আচরণ! কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে বিক্ষোভ জুনিয়র ডাক্তারদের

জরুরি বিভাগে ডিউটিতে ছিলেন ওই ইন্টার্ন। পুলিশ এক অসুস্থ মদ্যপ ব্যক্তিকে হাসপাতালে নিয়ে আসে। চিকিৎসকের অভিযোগ, রোগীটি শুরু থেকেই অসভ্য আচরণ করা শুরু করেন।

মহিলা চিকিৎসকের সঙ্গে মদ্যপ অবস্থায় অশ্লীল আচরণ! কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে বিক্ষোভ জুনিয়র ডাক্তারদের

ফাইল ছবি

সৌভিক বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: 30 October 2025 09:14

দ্য ওয়াল ব্যুরো: আবারও রাজ্যের সরকারি হাসপাতালে (Govt Hospital) মহিলা চিকিৎসককে (Woman Doctor) হেনস্থার অভিযোগ উঠল। এবার ঘটনাস্থল কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ (Calcutta National Medical College)। জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত এক ইন্টার্ন চিকিৎসকের (Intern Doctor) বিরুদ্ধে অশ্লীল মন্তব্য ও অঙ্গভঙ্গির অভিযোগ উঠেছে এক মদ্যপ রোগীর বিরুদ্ধে। ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে হাসপাতাল চত্বরে।

ঘটনা মঙ্গলবার রাতের। জরুরি বিভাগে ডিউটিতে ছিলেন ওই ইন্টার্ন। পুলিশ এক অসুস্থ মদ্যপ ব্যক্তিকে হাসপাতালে নিয়ে আসে। চিকিৎসকের অভিযোগ, রোগীটি শুরু থেকেই অসভ্য আচরণ করা শুরু করেন। অশালীন মন্তব্য, অঙ্গভঙ্গি, এমনকী ভয় দেখানোর চেষ্টা পর্যন্ত করেন। পরিস্থিতি সহ্য করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়ে ইন্টার্নটি বাইরে বেরিয়ে আসেন।

অভিযোগ, সে সময় তিনি উপস্থিত পুলিশ কর্মীদের কাছে সাহায্য চাইলেও সাড়া মেলেনি। পরে খবর পেয়ে অন্যান্য ছাত্রছাত্রী ও চিকিৎসকরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রতিবাদ জানান। বুধবার সকালে কলেজে উত্তেজনা চরমে ওঠে। পড়ুয়ারা অধ্যক্ষের দফতর ঘেরাও করেন। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে। পুলিশ জানিয়েছে, রাতে অতিরিক্ত নিরাপত্তা মোতায়েন করা হবে।

এ ঘটনা সামনে আসতেই মনে পড়ছে কয়েক দিন আগের এসএসকেএম হাসপাতালের (SSKM Hospital) শ্লীলতাহানির ঘটনা। সেখানে এক নাবালিকাকে পুরুষ শৌচাগারে নিয়ে গিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে। ধৃত হন এক বহিরাগত। সেই ঘটনার পরই রাজ্যজুড়ে সরকারি হাসপাতালে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশাসনকে প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছিল।

ঘটনার পর শনিবার জরুরি বৈঠক ডাকেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যসচিব মনোজ পন্থের নেতৃত্বে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন শহর ও জেলার সরকারি হাসপাতালের শীর্ষ কর্তারা এবং পুলিশ প্রশাসনের প্রতিনিধি। সেখানেই নিরাপত্তা ব্যবস্থার খুঁত তুলে কড়া নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর আশঙ্কা, স্বাস্থ্য দফতরের অধীনস্থ প্রতিষ্ঠানেই বারবার এমন ঘটনা ঘটায় রাজনৈতিকভাবে তাঁর সরকারকে কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর চেষ্টা চলছে।

এসএসকেএম-এর ঘটনায় অভিযুক্ত নিরাপত্তা কর্মী অমিত মল্লিককে আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত পুলিশি হেফাজতে রাখারা নির্দেশ দিয়েছিল আদালত।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত অমিত মল্লিক আগে এসএসকেএম হাসপাতালেরই একটি বিভাগে কর্মরত ছিলেন। ঘটনার দিন হাসপাতালের আউটডোরে ডাক্তার দেখাতে এসেছিল ওই নাবালিকা। আউটডোরের টিকিট করাতে গিয়েছিল তার মা। দাদুর সঙ্গে বসেছিল মেয়েটি। অভিযোগ, নিজেকে শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ পরিচয় দিয়ে ট্রমা কেয়ারের শৌচাগারে মেয়েটিকে নিয়ে যায় অমিত মল্লিক। সেখানেই চলে নির্যাতন।

এই ঘটনার কয়েকদিনের মধ্যে ফের সরকারি হাসপাতালে এমনই অভিযোগ। তাই বারবার একই ধরনের ঘটনায় প্রশ্ন - সব নির্দেশনার পরও সরকারি হাসপাতালগুলিতে মহিলাদের নিরাপত্তা বাড়াতে কতটা পদক্ষেপ করা হয়েছে? ডাক্তারি পড়ুয়াদের দাবি, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে বিক্ষোভ আরও জোরদার হবে।


```