সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনেই গত ৭ ও ১৪ সেপ্টেম্বর নবম-দশম এবং একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির জন্য এসএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। কিন্তু এই পরীক্ষা নিয়েও বিস্তর অভিযোগ।

ফাইল ছবি
শেষ আপডেট: 29 October 2025 14:59
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ২৬ হাজার চাকরি বাতিল মামলায় (SSC Case) সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) যে নির্দেশ দিয়েছিল তা মেনেই হয়েছে পরবর্তী এসএসসি পরীক্ষা (SSC Exam)। তবে ফল প্রকাশের আগে লাগাতার নানা আপত্তি-অভিযোগ এসেই যাচ্ছে। মামলাকারীরা দ্বারস্থ হচ্ছে শীর্ষ আদালতের। তবে সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছে, সব আপত্তি ও অভিযোগের কথা শোনা হবে পরীক্ষার ফলপ্রকাশের পরই, তার আগে নয়।
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনেই গত ৭ ও ১৪ সেপ্টেম্বর নবম-দশম এবং একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির জন্য এসএসসি পরীক্ষা (SSC Exam) অনুষ্ঠিত হয়েছিল। কিন্তু এই পরীক্ষা নিয়েও বিস্তর অভিযোগ। বিশেষ করে পুরনো চাকরিপ্রার্থীদের জন্য যে ১০ নম্বরের নিয়ম - তা মেনে নেননি নতুন চাকরিপ্রার্থীরা। সে সব নিয়েই মামলা হয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। বুধবার সেই মামলার শুনানিতে শীর্ষ আদালত জানায়, পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পরই এই নিয়ে শুনানি হবে।
বিচারপতি সঞ্জয় কুমার ও বিচারপতি এন ভি অঞ্জরিয়ার বেঞ্চ বুধবার এমনটাই স্পষ্ট করে দিয়েছে। জানানো হয়েছে, এসএসসি-র পরীক্ষার ফলাফল নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই বেরতে পারে। তাই তার পর সব অভিযোগ শোনা হবে।
এদিকে আদালত এও স্পষ্ট জানিয়েছে, কোনও অযোগ্য বা ‘দাগি’ প্রার্থীকে এই পরীক্ষায় বসার অনুমতি দেওয়া হয়নি। সিবিআই রিপোর্টের (CBI Report) ভিত্তিতেই তাঁদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। তাই এখনই আর নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন অভিযোগ শোনা হবে না। সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, এসএসসি সংক্রান্ত সব আবেদন ও মামলা আগামী ২৪ নভেম্বর একসঙ্গে শুনানি করা হবে।
আসলে নতুন করে দু-দফায় যে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে তাতেও দুর্নীতি হতে পারে বলে সন্দেহ করেছেন অনেকে। বহু নতুন চাকরিপ্রার্থীর বক্তব্য, দশ বছর পর নিয়োগের পরীক্ষা হয়েছে অথচ নতুন প্রার্থীদের পূর্ণ নম্বর পেলেও ডাক পাওয়ার সম্ভাবনা নেই। কারণ, ইন-সার্ভিস প্রার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩১ হাজার শিক্ষককে ইতিমধ্যেই অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
ফ্রেশার চাকরিপ্রার্থীদের অভিযোগ, এই নিয়ম তাঁদের সুযোগ কমিয়ে দিচ্ছে। অন্যদিকে, যাঁরা কয়েক বছর শিক্ষকতা করার পর ফের পরীক্ষায় বসছেন, তাঁদের দাবি, বছরের পর বছর চাকরি করার পরে নতুনদের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে র্যাঙ্ক করা কার্যত অসম্ভব।
এই প্রেক্ষিতে তারা এও দাবি করে, শূন্যপদের সংখ্যা বাড়িয়ে অন্তত এক লক্ষ করা হোক। আর ইন-সার্ভিস প্রার্থীদের যে অতিরিক্ত ১০ নম্বর দেওয়া হচ্ছে, তার কোনও সরকারি গেজেটে উল্লেখ নেই। এই অতিরিক্ত সুবিধা বন্ধ করতে হবে।