চতুর্থ বর্ষপূর্তিতে কিডনি সুস্থ রাখার বার্তা দিতে সল্টলেকে ওয়াকাথনের আয়োজন করল শহরের নামী হাসপাতাল। শীতের সকালে প্রায় হাজার মানুষ অংশ নিয়ে নিয়মিত হাঁটার গুরুত্ব তুলে ধরলেন।

ওয়াকাথন
শেষ আপডেট: 14 December 2025 14:23
দ্য ওয়াল ব্যুরো: চতুর্থ বর্ষপূর্তিতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিল শহরের এক নামী কিডনি হাসপাতাল (Kidney Hospital)। রবিবার সকালে সল্টলেকের (Salt Lake) বুকে আয়োজিত হল বড়সড় ওয়াকাথন, ‘এ ওয়াক ফর ইয়োর কিডনি’ (A Walk for Your Kidney)। লক্ষ্য একটাই- নিয়মিত হাঁটার মতো সহজ অভ্যাসে কীভাবে কিডনি সুস্থ রাখা যায় এবং লাইফস্টাইলজনিত রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব, সেই বার্তা পৌঁছে দেওয়া।
সকাল ৭টায় হাসপাতাল চত্বর থেকে শুরু হয় ওয়াকাথন। প্রায় ১,০০০ মানুষ অংশ নেন কর্মসূচিতে। শিশু থেকে প্রবীণ- সব বয়সের মানুষই পা মেলান, যা সুস্থ জীবনের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে বাড়তে থাকা সচেতনতার ছবি তুলে ধরে।
ওয়াকাথনে বাড়তি উৎসাহ যোগান ক্রীড়া, বিনোদন, প্রশাসন ও চিকিৎসা জগতের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। সাধারণ মানুষের সঙ্গে হেঁটেই তাঁরা কিডনি সুরক্ষা (Kidney Care) এবং প্রতিদিনের সুস্থ অভ্যাস গড়ে তোলার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন কিংবদন্তি ভারতীয় টেনিস তারকা লিয়েন্ডার পেজ (Leander Paes), অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা সরকার (Priyanka Sarkar), পর্বতারোহী পিয়ালি বসাক (Piyali Basak), বিধাননগরের ডেপুটি কমিশনার অফ পুলিশ অনীশ সরকার (Aneesh Sarkar, DCP Bidhannagar), হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতা ও ডিরেক্টর ডাঃ প্রতীম সেনগুপ্ত (Dr Pratim Sengupta) এবং গোল্ডেন টিউলিপ হোটেলের ডিরেক্টর আশিস মিত্তল (Ashish Mittal)-সহ আরও বহু বিশিষ্ট অতিথি।
সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে ডাঃ প্রতীম সেনগুপ্ত জানান, চার বছরের পথচলা শুধুই চিকিৎসা নয়, প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যের (Preventive Healthcare) প্রতি হাসপাতালের অটুট প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন। তাঁর কথায়, “চিকিৎসক হিসেবে আমরা বিশ্বাস করি, রোগ সারানোর চেয়েও রোগ ঠেকানো বেশি জরুরি। হাঁটা সবচেয়ে সহজ আর কার্যকর ব্যায়াম। এতে হার্ট সুস্থ থাকে, কিডনির কাজ ভাল হয়, আর শারীরিক-মানসিক দুই দিকেই ইতিবাচক প্রভাব পড়ে।”
হাজারের বেশি মানুষের অংশগ্রহণ এবং লিয়েন্ডারের মতো আইকনিক ব্যক্তিত্বদের উপস্থিতিকে ‘প্রশংসনীয় যৌথ উদ্যোগ’ বলেও উল্লেখ করেন তিনি। পাশাপাশি জানান, এই ওয়াকাথন কোনও একদিনের অনুষ্ঠান নয় বরং মানুষকে দৈনন্দিন জীবনে সুস্থ অভ্যাসে ফিরিয়ে আনাই হাসপাতালের দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্য।