সোমবার বিকেল ৫টায় কলকাতা হাইকোর্টে (Kolkata High Court) একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক (High Profile Meeting) ডাকা হয়েছে। হাইকোর্ট ও কমিশন সূত্রে খবর, বৈঠকের গুরুত্ব বিবেচনা করেই পূর্বনির্ধারিত সময় কিছুটা পিছিয়ে বিকেল ৫টা করা হয়েছে।

শমীক ভট্টাচার্য
শেষ আপডেট: 23 February 2026 14:16
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের (WB Assembly Election) রণকৌশল ও বুথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবার মুখোমুখি বসছে বিচারবিভাগ, প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশন। সোমবার বিকেল ৫টায় কলকাতা হাইকোর্টে (Kolkata High Court) একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক (High Profile Meeting) ডাকা হয়েছে। হাইকোর্ট ও কমিশন সূত্রে খবর, বৈঠকের গুরুত্ব বিবেচনা করেই পূর্বনির্ধারিত সময় কিছুটা পিছিয়ে বিকেল ৫টা করা হয়েছে।
উপস্থিত থাকছেন কারা?
এই মেগা বৈঠকে উপস্থিত থাকার কথা খোদ প্রধান বিচারপতির (Chief Justice)। এছাড়াও রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান অর্থাৎ মুখ্য সচিব (Chief Secretary), রাজ্য পুলিশের ডিরেক্টর জেনারেল (DG) এবং নির্বাচন কমিশনের উচ্চপদস্থ প্রতিনিধিরা সেখানে উপস্থিত থাকবেন। মূলত রাজ্যের স্পর্শকাতর বুথগুলির নিরাপত্তা এবং ভোটগ্রহণের সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখা নিয়েই এই রুদ্ধদ্বার আলোচনা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
শমীক ভট্টাচার্যের (Shamik Bhattacharya) পাল্টা হলফনামা
অন্য দিকে, রাজ্যের নির্বাচনী বুথগুলির নিরাপত্তা সংক্রান্ত একটি মামলায় নয়া মোড় এল। এই মামলায় রাজ্য সরকার এবং নির্বাচন কমিশন (Election Commission) যে বক্তব্য পেশ করেছিল, তার পাল্টা হলফনামা জমা দিতে চান বিজেপি-র (BJP) রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। সোমবার প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি পার্থ সারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চ শমীকবাবুর এই আবেদন মঞ্জুর করেছে। তাঁকে হলফনামা জমা দেওয়ার জন্য এক সপ্তাহ সময় দিয়েছে আদালত।
বুথের হাল খতিয়ে দেখবে এনবিসিসি (NBCC)
ভোটের আবহে রাজ্যের বুথগুলির পরিকাঠামো (Election Booth) নিয়েও বড় তথ্য সামনে এসেছে। নির্বাচন কমিশনের (Election Commission News) তরফে আদালতকে জানানো হয়েছে, রাজ্যের নির্বাচনী বুথগুলির নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ‘ন্যাশনাল বিল্ডিং কনস্ট্রাকশন কর্পোরেশন’ বা এনবিসিসি-কে (NBCC)। বুথগুলিতে পর্যাপ্ত পানীয় জল, বিদ্যুৎ সংযোগ, শৌচাগার এবং অন্যান্য ন্যূনতম সুযোগ-সুবিধা আছে কি না, তা সরেজমিনে খতিয়ে দেখে রিপোর্ট দেবে এই সংস্থা।
আদালতের এই নজরদারি এবং কমিশনের বিশেষ পোর্টাল তৈরির পদক্ষেপ (যা নিয়ে আগেই চর্চা শুরু হয়েছে) স্বচ্ছ নির্বাচন করার পথে বড় ধাপ বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।