২৮ জানুয়ারি ২০২৬, নয়াদিল্লির মেজর ধ্যানচাঁদ ন্যাশনাল স্টেডিয়াম থেকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিত্যানন্দ রাই ভার্চুয়ালি পতাকা নেড়ে এই প্রকল্পের সূচনা করেন। এই একই দিনেই পশ্চিমবঙ্গের বকখালিতেও এই সাইক্লোথনের ফ্ল্যাগ-অফ অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়। সেখানে কমোডোর (অবসরপ্রাপ্ত) পি আর হরি, CMD, GRSE কলকাতা উপস্থিত থেকে সাইক্লোথনের সূচনা করেন। অনুষ্ঠানে CISF-এর ঊর্ধ্বতন আধিকারিক, বিশিষ্ট ব্যক্তি ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।
.jpeg.webp)
বন্দে মাতরম কোস্টাল সাইক্লোথন - ২০২৬
শেষ আপডেট: 29 January 2026 16:48
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভারতের উপকূলীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা ও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ফের একবার জাতীয় স্তরে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে সেন্ট্রাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিকিউরিটি ফোর্স Coastal Cyclothon 2026 বা CISF । পূর্ব ও পশ্চিম উপকূল বরাবর একযোগে শুরু হয়েছে ‘CISF বন্দে মাতরম Vande Mataram কোস্টাল সাইক্লোথন - ২০২৬’ প্রকল্প। এই সাইক্লোথনের মাধ্যমে উপকূলীয় নিরাপত্তা, স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, পরিবেশ বাঁচানো এবং স্থানীয় জনগণের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর সম্পর্ক আরও দৃঢ় করে তোলার প্রচেষ্টা করা হচ্ছে।
২৮ জানুয়ারি ২০২৬, নয়াদিল্লির মেজর ধ্যানচাঁদ ন্যাশনাল স্টেডিয়াম থেকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিত্যানন্দ রাই ভার্চুয়ালি পতাকা নেড়ে এই প্রকল্পের সূচনা করেন। এই একই দিনেই পশ্চিমবঙ্গের বকখালিতেও এই সাইক্লোথনের ফ্ল্যাগ-অফ অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়। সেখানে কমোডোর (অবসরপ্রাপ্ত) পি আর হরি, CMD, GRSE কলকাতা উপস্থিত থেকে সাইক্লোথনের সূচনা করেন। অনুষ্ঠানে CISF-এর ঊর্ধ্বতন আধিকারিক, বিশিষ্ট ব্যক্তি ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।

CISF-এর তরফ থেকে জানানো হয়েছে, এই সাইক্লোথন মোট ৬,৫৫৩ কিলোমিটার উপকূলীয় পথ অতিক্রম করবে। এই আয়োজনে অংশ নিয়েছেন মোট ১৩০ জন CISF কর্মী, যার মধ্যে ৬৫ জন মহিলা সাইক্লিস্ট রয়েছেন। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য একটাই, উপকূলবাসীদের মধ্যে মাদক, অস্ত্র ও বিস্ফোরক পাচারের প্রবণতা বন্ধ করা। একই সঙ্গে এই গোটা বিষয় সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা এবং উপকূলীয় জনগণ অর্থাৎ উপকূলের বাসিন্দা ও নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে সহযোগিতা আরও মজবুত করা।
এছাড়াও এই প্রকল্পের আরও বিশেষ কিছু উদ্দেশ্য রয়েছে। এই এলাকার প্রতিরক্ষায় যাঁরা শহিদ হয়েছেন ও বর্তমানে কর্মরত নিরাপত্তাকর্মীদের আত্মত্যাগকে সম্মান জানিয়ে দেশপ্রেম জাগ্রত করা। পাশাপাশি ভারতের সামুদ্রিক ঐতিহ্য ও উপকূলীয় সংস্কৃতিকে তুলে ধরার চেষ্টা।
CISF-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই সাইক্লোথন প্রকল্পে সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করতে পারবেন। দেশের উপকূলীয় এলাকাগুলিকে আরও সুরক্ষিত রাখতে এবং জাতীয় স্তরে সতর্কতার গুরুত্ব বোঝাতে CISF-এর এই উদ্যোগ বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।