এই মামলার তদন্তভার দেওয়া হয়েছিল সিআইডি-র ইনস্পেক্টর স্বপ্না ঘোষকে। তদন্তের পর অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ করা হয় এবং কাস্টডিয়াল ট্রায়ালের জন্য মামলাটি পাঠানো হয় ব্যারাকপুর পকসো আদালতে।

প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 2 August 2025 23:45
দ্য ওয়াল ব্যুরো: দেহব্যবসার জন্য নাবালিকাদের ব্যবহার করার অভিযোগে চারজনকে ২০ বছরের কারাদণ্ড দিল ব্যারাকপুর পকসো আদালত (POCSO Court)। ঘটনাটি ঘটে ২০১৮ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি। গোপন সূত্রে তথ্য পেয়ে সেদিন বেলঘরিয়ায় ‘সিলভার ডোর’ নামে একটি হোটেলে হানা দেয় সিআইডি-র অ্যান্টি হিউম্যান ট্র্যাফিকিং ইউনিট (AHTU)। অভিযানে উদ্ধার হয় দুই নাবালিকা সহ ছ’জন মহিলা।
তদন্তে জানা যায়, প্রাপ্তবয়স্ক চার মহিলাকেও জোর করে দেহব্যবসায় নামানো হয়েছিল। হোটেল থেকে সেদিন ১২ জনকে গ্রেফতার করা হয়। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল বেশ কয়েকটি মোবাইল ফোন, হোটেলের ম্যানেজার ডেস্ক থেকে ২ লক্ষ ২৮ হাজার ৫০ টাকা নগদও উদ্ধার করা হয়েছিল।
এই মামলার তদন্তভার দেওয়া হয়েছিল সিআইডি-র ইনস্পেক্টর স্বপ্না ঘোষকে। তদন্তের পর অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ করা হয় এবং কাস্টডিয়াল ট্রায়ালের জন্য মামলাটি পাঠানো হয় ব্যারাকপুর পকসো আদালতে।
কৃষ্ণা দে, মানিন্দ্রনাথ আদগড়ি, বুলু নেগি, রাখি ঘোষ- এই চারজনকে চলতি বছরের ৩১ জুলাই আদালতের রায়ে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। শনিবার তাঁদের ২০ বছরের কারাদণ্ডের সাজা ঘোষণা করা হয়েছে। পাশাপাশি, নির্যাতিতা দুই নাবালিকাকে ২ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।
সিআইডি সূত্রে জানানো হয়েছে, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে ওই হোটেলে দেহব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিল। আদালতের রায়ে খুশি নির্যাতিতাদের পরিবার ও তদন্তকারী আধিকারিকরা।