অভিরূপ অবশ্য রীতিমতো ক্ষুব্ধ। তাঁর অভিযোগ, “আমি তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিনিধি বলেই টার্গেট করা হচ্ছে। শিক্ষার অধিকার খর্ব করা হচ্ছে। ন্যায়বিচারের জন্য হাইকোর্টে যাব।”

ফাইল ছবি।
শেষ আপডেট: 11 September 2025 19:14
দ্য ওয়াল ব্যুরো: তাঁর বিরুদ্ধে উঠেছে কুরুচিকর মন্তব্যের অভিযোগ। আর সেই কারণেই কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের (Calcutta University ) তরফে কার্যত ‘সেন্সর’ করা হল তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অভিরূপ চক্রবর্তীকে (Ccensors TMCP leader Abhirup for five years)।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও একাডেমিক সমস্ত কার্যক্রম থেকে আপাতত বিরত থাকতে হবে তাঁকে। পিএইচডি-র আবেদনপ্রার্থী হিসেবে যাঁর নাম ইতিমধ্যেই নথিভুক্ত, সেই অভিরূপকে প্রাথমিক পর্বেই এমনভাবে সেন্সর করা রীতিমতো নজিরবিহীন বলেই মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহল।
সূত্রের খবর, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য (Vice Chancellor) শান্তা দত্তর সঙ্গে অভিরূপের সাম্প্রতিক দ্বন্দ্বই এই সিদ্ধান্তের মূলে। ছাত্র সংগঠনের প্রতিষ্ঠা দিবসে পরীক্ষা বাতিল না হওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে অভিরূপ হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন— ‘ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে বুঝে নেওয়া হবে।’ সহায়তাকারী আধিকারিকদের প্রতিও ছিল তীব্র আক্রমণ।
তার পরই বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে সিদ্ধান্ত— প্রশাসনিক বা একাডেমিক কোনও কর্মসূচিতে অভিরূপের অংশগ্রহণে রাশ টানা হবে। এমনকি তাঁর পিএইচডি আবেদনপত্রও এবার খুঁটিয়ে দেখা হবে বলে জানা গিয়েছে।
এর মধ্যেই আবার আসছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য। স্বভাবতই প্রশ্ন উঠছে, নতুন প্রশাসনের অধীনে এই সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে তো?
অভিরূপ অবশ্য রীতিমতো ক্ষুব্ধ। তাঁর অভিযোগ, “আমি তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিনিধি বলেই টার্গেট করা হচ্ছে। শিক্ষার অধিকার খর্ব করা হচ্ছে। ন্যায়বিচারের জন্য হাইকোর্টে যাব।”
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের চৌহদ্দি পেরিয়ে এখন এই বিতর্ক পৌঁছে গিয়েছে রাজনীতির মঞ্চেও। শিক্ষক, ছাত্র ও প্রশাসনের ত্রিমুখী সমীকরণে ফের একবার আলোচনার কেন্দ্রে ‘অভিরূপ বনাম কর্তৃপক্ষ’ দ্বন্দ্ব।