গত ১১ জুন রবীন্দ্র নগর থানা এলাকায় মন্দিরের সামনে তুলসি মঞ্চ বসানো নিয়ে ২ গোষ্ঠীর সংঘর্ষে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছিল সেখানে।
.jpeg.webp)
সুকান্ত মজুমদার
শেষ আপডেট: 19 June 2025 20:08
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মহেশতলার ঘটনায় আক্রন্তদের নিয়ে রাজ্যপালের কাছে গেলেন সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumder)। গত ১১ জুন রবীন্দ্র নগর থানা এলাকায় মন্দিরের সামনে তুলসি মঞ্চ বসানো নিয়ে ২ গোষ্ঠীর সংঘর্ষে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছিল সেখানে। ভাঙচুর হয়েছিল বাড়ি, ঘর, গাড়ি, দোকান। আক্রান্ত হয়েছিল সাধারণ মানুষ, পুলিশও।
বৃহস্পতিবার সেই আক্রান্তদের নিয়েই সন্ধেবেলা রাজভবনে ছুটলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি। অন্যদিকে ঘটনায় আক্রান্তদের পাশে দাঁড়াতে বুধবারই আদালতের অনুমতি নিয়ে রবীন্দ্রনগর থানা চত্বরে যান বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে আবার মহিলাদের সামনে রেখে তাঁকে বিক্ষোভ দেখায় 'তৃণমূল'।
এদিন বজবজে (Budge Budge) আক্রান্ত বিজেপি কর্মীকে দেখতে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়েন সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumder)। ১০০ দিনের কাজের টাকা কেন মিটিয়ে দেওয়া হচ্ছে না, সেই দাবিতে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন স্থানীয়রা। শুধু তাই নয়, বিজেপি রাজ্য সভাপতিকে 'চোর চোর' বলে জুতোও ছোড়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
সুকান্ত গোটা ঘটনার ব্যাপারে বলেন "এই কাজের জন্য জেহাদিদের নিয়ে আসা হয়েছে। এখানকার লোক নয়। বাংলাদেশের লোক রয়েছে। বাংলাদেশ থেকে এসে এইসব করছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এটাকে পাকিস্তান বানিয়ে ছেড়ে দিয়েছেন।" তার পরপরই বিজেপি রাজ্য সভাপতি সেখান থেকে রওনা হন। তখনই মোটামুটি খবর হয়ে গিয়েছিল, তিনি মহেশতলার আক্রান্তদের নিয়ে সন্ধেবেলা রাজভবনে আসতে পারেন। হলও তাই।
বস্তুত, গত ১১ জুনের ওই ঘটনার পর থেকে মহেশতলার বিস্তীর্ণ এলাকায় জারি ছিল ১৬৩ ধারা। বন্ধ ছিল ইন্টারনেট। ওই ঘটনায় প্রায় ৪৫ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। হিংসার ঘটনার পর রবীন্দ্র নগর থানার আইসি ও মহেশতলার এসডিপিওকে বদলি করেছে রাজ্য প্রশাসন।