শুভেন্দু প্রথমেই বলেন, আদালত তাঁকে কোনও রাজনৈতিক কথা বলতে বারণ করেছে তাই তিনি সেই ধরনের কোনও মন্তব্য করবেন না। এদিকে, শুভেন্দুকে চোর চোর স্লোগানও শুনতে হয় এলাকায়।

শুভেন্দু অধিকারী
শেষ আপডেট: 18 June 2025 16:15
দ্য ওয়াল ব্যুরো: 'পুরোপুরি সন্ত্রাসের পরিবেশ!' কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) অনুমতি পেয়ে মহেশতলা (Maheshtala) গিয়ে সেখানকার এলাকা পরিদর্শনের পর এমনই মন্তব্য করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। একই সঙ্গে, পুলিশের ভূমিকা নিয়েও তোলেন প্রশ্ন। ১৬৩ ধারা প্রয়োগের ঠিক কী অর্থ, তা জানতে চেয়েছেন তিনি।
গত ১১ জুন ফলের দোকান বসানো নিয়ে বিবাদ শুরু হওয়ার পর রণক্ষেত্রর চেহারা নিয়েছিল মহেশতলা এলাকা। গোষ্ঠী সংঘর্ষ থেকে পুলিশের ওপর হামলা সবই হয়। এলাকার বেশ কয়েকটি বাড়ি এবং দোকানও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। ঘটনার পর মহেশতলা যেতে চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল শুভেন্দু অধিকারী। তাঁকে শর্তসাপেক্ষে অনুমতি দেয় আদালত। তারপর আজ, বুধবার এলাকা পরিদর্শনে যান তিনি।
সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শুভেন্দু প্রথমেই বলেন, আদালত তাঁকে কোনও রাজনৈতিক কথা বলতে বারণ করেছে তাই তিনি সেই ধরনের কোনও মন্তব্য করবেন না। কিন্তু তিনি মনে করছেন, এলাকায় ভয়ের পরিবেশ তৈরি করে রাখা হয়েছে। বিরোধী দলনেতা বলেন, ''এখানে সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করে রেখেছে। আর গোটা রাস্তা জুড়ে অসভ্যতামির চূড়ান্ত। তা ১৬৩ ধারা কি শুধু বিজেপি বা বিরোধীদের জন্য?''
বিজেপি বিধায়ক এও বলেন, ''হামলাকারীরা হয়তো ভেবেছিল আমরা পালিয়ে যাবেন। কিন্তু তেমনটা হয়নি। আমরা যা করতে এসেছিলাম, করেছি। মন্দিরে পুজো দিয়েছি, আহতদের সঙ্গে দেখা করেছি। এখানকার মানুষকে বলে যাব, বিচার পাবেন।'' মহেশতলার মানুষকে শুভেন্দুর আশ্বাসবার্তা, রাজ্যের বিরোধী দলনেতা হিসেবে তিনি তাঁদের পাশে আছেন এবং শান্তি ফিরিয়ে আনার জন্য যা করার করবেন। এদিকে, শুভেন্দুকে চোর চোর স্লোগানও শুনতে হয় এলাকায়।
রাজ্য পুলিশ কার্যত হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। সংবাদমাধ্যমে জানান, নেচারস পার্ক থেকে মহেশতলা পর্যন্ত তিনি ভিডিও করেছেন। সেই ভিডিও কলকাতা হাইকোর্টে জমা দেবেন। তাঁর বক্তব্য, কেন বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসন দরকার, কেন রাষ্ট্রপতি শাসনে ভোট হওয়া দরকার, সেটা আদালতকে দেখাতে হবে। শুভেন্দুর অভিযোগ, লোকসভা নির্বাচনে এলাকার মানুষ ভোট দিতে পারেননি, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনেও দিতে পারবেন না। তাই অবস্থার পরিবর্তন হওয়া জরুরি।