এই মামলার তদন্তে প্রথম থেকেই রাজ্যের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে নির্যাতিতার পরিবার। তাঁদের দাবি, এক বছরের মাথায়ও প্রকৃত তদন্ত হয়নি, প্রকৃত অপরাধীরা শাস্তি পায়নি। এবার বিচার প্রক্রিয়ার গতি কতটা বাড়ে, সেদিকেই নজর।

সন্দীপ ঘোষ
শেষ আপডেট: 7 July 2025 18:16
দ্য ওয়াল ব্যুরো: এক বছর হতে চলল আরজি কর হাসপাতালের ধর্ষণ ও খুনকাণ্ডের (RG Kar Case)। সরকারি মেডিক্যাল কলেজের হোস্টেলে এক তরুণী চিকিৎসক পড়ুয়াকে ধর্ষণ করে খুন করার অভিযোগে কেঁপে উঠেছিল তিলোত্তমা। এবার সেই মামলায় ফের আলোচনার কেন্দ্রে হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ (Sandip Ghosh) এবং টালা থানার প্রাক্তন ওসি অভিজিৎ মণ্ডল (Abhijit Mondal)।
সোমবার ফের একবার এই দু’জনকে সশরীরে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন শিয়ালদহ আদালতের (Sealdah Court) বিচারক অরিজিৎ মণ্ডল। মঙ্গলবারই তাঁদের হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। নির্যাতিতার পরিবারের পক্ষ থেকে ঘটনাস্থল খতিয়ে দেখার আবেদন জানানো হয়েছিল। সেই আবেদনের শুনানিতেই আদালত এই সিদ্ধান্ত নেয়। বিচারক জানিয়ে দিয়েছেন, অভিযুক্তদের যদি কোনও বক্তব্য থাকে, তা আদালতেই পেশ করতে হবে। এদিনের শুনানিতে রাজ্য সরকারের আইনজীবীকেও আদালতে হাজির থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রসঙ্গত, এই মামলায় টালা থানার প্রাক্তন ওসি অভিজিৎ মণ্ডলকে আগে গ্রেফতার করেছিল সিবিআই। পরে জামিনে মুক্তি পান তিনি। নির্যাতিতার পরিবারের অভিযোগ, জামিন পাওয়ার পর দীর্ঘদিন তিনি আদালতে হাজিরা দেননি। পরে আদালতের নির্দেশে একবার হাজিরা দেন।
অন্যদিকে, মামলার অন্যতম অভিযুক্ত আরজি কর হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষও জামিনে মুক্ত রয়েছেন ধর্ষণ-খুন মামলায়। তবে আরজি কর হাসপাতাল সংক্রান্ত আর্থিক দুর্নীতির পৃথক মামলায় তিনি বর্তমানে জেলবন্দি। সে কারণে আদালতে হাজির করানো যায়নি তাঁকে। কিন্তু এবার বিচারক স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন — মঙ্গলবার সন্দীপ ঘোষ ও অভিজিৎ মণ্ডল, দু’জনকেই সশরীরে আদালতে হাজির করাতেই হবে।
এই মামলার তদন্তে প্রথম থেকেই রাজ্যের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে নির্যাতিতার পরিবার। তাঁদের দাবি, এক বছরের মাথায়ও প্রকৃত তদন্ত হয়নি, প্রকৃত অপরাধীরা শাস্তি পায়নি। এবার বিচার প্রক্রিয়ার গতি কতটা বাড়ে, সেদিকেই নজর।