Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ছত্তীসগড়ে পাওয়ার প্ল্যান্টে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ! মৃত অন্তত ৯, ধ্বংসস্তূপের নীচে অনেকের আটকে পড়ার আশঙ্কাস্কি, ক্যান্ডেললাইট ডিনার আর পরিবার, বিয়ের জন্মদিনে কোন স্মৃতিতে ভাসলেন আলিয়া? পরপর দু’বার ছাঁটাই! চাকরি হারিয়ে 'বিহারি রোল' বানানো শুরু, এখন মাসে আয় ১.৩ কোটিনববর্ষে সস্তায় পেটপুরে খাওয়া! দুই বাংলার মহাভোজ একই থালিতে, হলিডে ইন-এ শুরু হচ্ছে ‘বৈশাখী মিলনমেলা’কষা মাংস থেকে কাটলেট! নববর্ষে তাজের সমস্ত হোটেলে জিভে জল আনা ভোজ, রইল সুলুকসন্ধানপিএসএল ছেড়ে আইপিএলে আসার কড়া মাশুল! ২ বছরের জন্য সাসপেন্ড কেকেআরের এই পেসার রণবীর-দীপিকার ৮ বছরের দাম্পত্যে বিচ্ছেদ! স্বামীর সঙ্গে বাড়তে থাকা দূরত্বই কি ডিভোর্সের কারণ?'বিজেপির কথায় চললে আমাদের কাছেও তালিকা থাকবে', পুলিশ কর্তাদের চরম হুঁশিয়ারি ব্রাত্য বসুর!একসময় নীতীশকেই কুর্সি থেকে সরানোর শপথ নিয়েছিলেন! তাঁর ছেড়ে যাওয়া পদেই বসলেন শকুনি-পুত্র‘একজনকে ধরলে হাজার জন বেরোবে...’, আইপ্যাক ডিরেক্টর গ্রেফতারের পরই নাম না করে হুঁশিয়ারি মমতার

চিৎপুরে বৃদ্ধ দম্পতি খুনে ফাঁসির সাজা ঘোষণা শিয়ালদহ আদালতে, ঘটনার ১০ বছর পর রায়দান

দশ বছর আগে চিৎপুরের এক বৃদ্ধ দম্পতিকে খুনের অভিযোগ ওঠে বাড়িরই পরিচারকের বিরুদ্ধে।

চিৎপুরে বৃদ্ধ দম্পতি খুনে ফাঁসির সাজা ঘোষণা শিয়ালদহ আদালতে, ঘটনার ১০ বছর পর রায়দান

ফাইল ছবি

শেষ আপডেট: 2 July 2025 16:18

দ্য ওয়াল ব্যুরো: দশ বছর আগে চিৎপুরের (Chitpur) এক বৃদ্ধ দম্পতিকে (Old Couple) খুনের অভিযোগ ওঠে বাড়িরই পরিচারকের বিরুদ্ধে। সেই ঘটনায় অবশেষে রায় দিল শিয়ালদহ আদালত (Sealdah Court)। দোষী সাব্যস্ত সঞ্জয় সেন ওরফে বাপ্পাকে মৃত্যুদণ্ডের (Capital Punishment) সাজা দেওয়া হয়েছে।

দশ বছর আগে চিৎপুরের এক বহুতলে রহস্যজনক ভাবে খুন হন এক বৃদ্ধ দম্পতি। অভিযোগ, যাঁকে আপন সন্তানের মতো বড় করে তুলেছিলেন, সেই যুবক সঞ্জয়ই তাঁদের প্রাণ কাড়ে।

২০১৫ সালের জুলাইয়ে চিৎপুরের ওই আবাসনের একটি ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হয় প্রাণগোবিন্দ দাস ও রেণুকা দাসের নিথর দেহ। বয়স তখন সত্তরের কোঠায়। তাঁদের একমাত্র কন্যা থাকেন আমেরিকায়। কলকাতার বাড়িতে একাই থাকতেন দম্পতি। দেখভালের জন্য সঙ্গে থাকতেন পূর্ণিমা নামে এক তরুণী। তাঁর সঙ্গেই পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন সঞ্জয়কে। পরে ওই তরুণীর সঙ্গে সঞ্জয়ের বিয়েও দিয়েছিলেন দম্পতি।

প্রায় পরিবারের সদস্যের মতোই ছিলেন সঞ্জয়। সেই আস্থার সুযোগ নিয়েই কি পরিকল্পিতভাবে খুন করেন তিনি? তদন্তে উঠে এসেছিল এমনই প্রাথমিক অনুমান। শিয়ালদহ আদালতের এই রায়ের পর ফের আলোচনায় এসেছে পুরনো হত্যাকাণ্ডের ঘটনা।

ঘটনাচক্রে, আরজি কর হাসপাতালের ধর্ষণ এবং হত্যা মামলায় শিয়ালদহ আদালতের যে বিচারক রায় দিয়েছিলেন, তিনিই এই মামলার রায় দিয়েছেন। আরজি করের ঘটনাকে ‘বিরলের মধ্যে বিরলতম’ বলে বিবেচনা করেননি শিয়ালদহ আদালতের ওই বিচারক। তারপর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছিলেন দোষী সাব্যস্ত সঞ্জয় রায়কে। এ বার সেই বিচারকই দম্পতিকে খুনের মামলায় দোষী সাব্যস্তকে ফাঁসির সাজা দিলেন।  


```