আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পার্কস্ট্রিটে লাঠিচার্জ করে কলকাতা পুলিশ। যার জেরে সেখানেই অবস্থানে বসে পড়েন শুভেন্দু অধিকারী এবং অগ্নিমিত্রা পাল।

অবস্থানে শুভেন্দু-অগ্নিমিত্রা
শেষ আপডেট: 9 August 2025 14:36
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আরজি কর হাসপাতালে মহিলা চিকিৎসক-ছাত্রীকে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় এক বছর পূর্ণ হচ্ছে। সেই ঘটনার প্রতিবাদে আজ ৯ অগস্ট, শনিবার, কলকাতার বিভিন্ন এলাকায় মিছিল, বিক্ষোভ ও সমাবেশের ডাক দেওয়া হয়েছে। নবান্ন অভিযানের আহ্বান জানিয়েছেন আরজি করের নির্যাতিতার বাবা-মা, যা সমর্থন করেছে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এবং বিজেপির রাজ্য নেতৃত্ব।
বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী আগেই ঘোষণা করেছিলেন, তিনি ধর্মতলার ডোরিনা ক্রসিংয়ে গিয়ে আরজি করের নির্যাতিতার বাবা-মায়ের সঙ্গে প্রতিবাদে যোগ দেবেন। পরিকল্পনা অনুযায়ী সেখান থেকেই নবান্নের উদ্দেশে মিছিল শুরু করার কথা। শনিবার বেলা প্রায় পৌনে ১২টা নাগাদ বিধানসভা থেকে সরাসরি ডোরিনা ক্রসিংয়ে পৌঁছে যান শুভেন্দু। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিজেপি নেত্রী অগ্নিমিত্রা পাল, সাংসদ অর্জুন সিং-সহ অন্যান্য নেতারা। যদিও রানি রাসমণি অ্যাভিনিউতে পৌঁছতেই শুভেন্দুকে আটকে দেয় পুলিশ।
বিস্তর বচসার পর রুট বদল করে জওহরলাল নেহেরু রোড ধরে মিছিল এগিয়ে নিয়ে যান বিরোধী দলনেতা। আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পার্কস্ট্রিটে লাঠিচার্জ করে কলকাতা পুলিশ। যার জেরে সেখানেই অবস্থানে বসে পড়েন শুভেন্দু অধিকারী এবং অগ্নিমিত্রা পাল।
শুক্রবার কলকাতা এবং রাজ্য পুলিশ স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, রাজ্য প্রশাসনের সদর দফতর নবান্ন এবং ওই ভবন সংলগ্ন এলাকায় জমায়েত করা যাবে না। বিক্ষোভ-মিছিল করা যাবে না কালীঘাটেও। ঘটনাচক্রে, কালীঘাটে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি।
পুলিশের বক্তব্য, একে তো নবান্ন অভিযানের জন্য কোনও অনুমতি চাওয়া হয়নি। তার পরেও যদি বিধিনিষেধ অমান্য করে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালিত হয়, কড়া পদক্ষেপ করা হবে। প্রতিবাদ কর্মসূচির জন্য দু’টি বিকল্প জায়গাও চিহ্নিত করে দেওয়া হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, হাওড়ার সাঁতরাগাছি বাসস্ট্যান্ড এবং কলকাতার রানি রাসমণি অ্যাভিনিউয়ে প্রতিবাদ করা যেতে পারে। যদিও সেখানেও শুভেন্দুদের আটকে দেওয়া হয়।