কসবার সাউথ ক্যালকাটা ল কলেজে ছাত্রীকে গণধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া এক অভিযুক্তকে প্রমিতকে নিয়ে রবিবার সকালে হাওড়ার চ্যাটার্জিহাটে তাঁর বাড়িতে পৌঁছয় পুলিশ।

প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 29 June 2025 17:05
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কসবার সাউথ ক্যালকাটা ল কলেজে (Kasba Law College) ছাত্রীকে গণধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া এক অভিযুক্তকে প্রমিতকে নিয়ে রবিবার সকালে হাওড়ার চ্যাটার্জিহাটে তাঁর বাড়িতে পৌঁছয় পুলিশ। সকাল থেকেই এলাকা ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়ায়। পুলিশের একটি বিশেষ তদন্তকারী দল দীর্ঘক্ষণ ধরে তল্লাশি চালায়। স্থানীয় বাসিন্দারা জানাচ্ছেন, এলাকায় পরিচিত মুখ ‘পি’ (এফ আইআর) বরাবরই ছিলেন শান্ত স্বভাবের, হাসিখুশি ও পড়াশোনায় মনোযোগী। তাই তাঁর নাম এমন এক গুরুতর মামলায় জড়ানোয় চমকে গেছেন প্রতিবেশীরা।
তল্লাশির সময় ধৃতের পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন তদন্তকারীরা। ঘর তল্লাশি করে কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি উদ্ধার করেছে পুলিশ, যা তদন্তে কাজে আসবে বলে মনে করা হচ্ছে। ধৃতকে গাড়িতে তোলার সময় আশপাশে জড়ো হয়ে যান বহু মানুষ। কেউ কেউ মুখ খুলে বলেন, “যদি সত্যিই এই অপরাধ করে থাকে, তবে শাস্তি হোক দৃষ্টান্তমূলক।” তবে পরিবারের কেউ কোনও মন্তব্য করতে রাজি হননি।
পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনার সময়কার সিসিটিভি ফুটেজে ধৃত ‘পি’-র উপস্থিতি স্পষ্ট। এই তথ্য তদন্তকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, এই ধর্ষণকাণ্ডে এখনও পর্যন্ত চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মূল অভিযুক্ত ‘এম’ (মনোজিৎ মিশ্র), যিনি তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রাক্তন নেতা ও কলেজের অস্থায়ী কর্মী। ‘জে’ (জইব আহমেদ) ও ‘পি’ (প্রমিত মুখোপাধ্যায়) বর্তমানে কলেজের ছাত্র। চতুর্থ ব্যক্তি কলেজেরই এক নিরাপত্তারক্ষী, যাঁর ভূমিকা ‘নির্যাতিতা’র অভিযোগপত্রে ‘নির্বিকার’ ও ‘অসহায়’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
শনিবার নির্যাতিতাকে কলেজে নিয়ে গিয়ে ঘটনাপর্ব পুনর্নির্মাণ করেন তদন্তকারীরা। অভিযুক্ত তিন ছাত্রের ডিএনএ নমুনাও সংগ্রহ করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই সিটের সদস্য সংখ্যা বাড়িয়ে ৯ করা হয়েছে। নতুন সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন একজন মহিলা সাব-ইনস্পেক্টরও।