Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনের

কসবার ল কলেজে ঢুকে গণধর্ষণের ঘটনার পুনর্নির্মাণ পুলিশের, ৪ জনের উপস্থিতি নিশ্চিত করল CCTV

সাউথ ক্যালকাটা ল কলেজের ছাত্রীকে ঘিরে ঘটে যাওয়া ঘটনায় তদন্তে গতি আনতে শনিবার সকালেই ঘটনার পুনর্গঠন করল কলকাতা পুলিশ। 

কসবার ল কলেজে ঢুকে গণধর্ষণের ঘটনার পুনর্নির্মাণ পুলিশের, ৪ জনের উপস্থিতি নিশ্চিত করল CCTV

ফাইল চিত্র

অন্বেষা বিশ্বাস।

শেষ আপডেট: 29 June 2025 10:50

দ্য ওয়াল ব্যুরো: সাউথ ক্যালকাটা ল কলেজের ছাত্রীকে ঘিরে ঘটে যাওয়া ঘটনায় তদন্তে গতি আনতে শনিবার সকালেই ঘটনার পুনর্গঠন করল কলকাতা পুলিশ। অভিযোগকারিণীকে নিয়ে যাওয়া হয় কলেজ ক্যাম্পাসে, যেখানে প্রায় দু’ঘণ্টা ধরে চলে ঘটনাপ্রবাহের পুনর্নির্মাণ। পুরো প্রক্রিয়ার ভিডিওগ্রাফি করা হয়েছে। কলকাতা পুলিশের এক আধিকারিক সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে জানিয়েছেন, ঘটনার দিন—২৫ জুন—দুপুর সাড়ে তিনটে থেকে রাত প্রায় ১১টা পর্যন্ত সময়ের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যে ঘরটিতে ঘটনাটি ঘটেছে বলে অভিযোগ, সেটি কলেজের নিরাপত্তারক্ষীর ঘর। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত গ্রেফতার করা হয়েছে চারজনকে। তিন ছাত্রের পাশাপাশি গ্রেফতার করা হয়েছে এক নিরাপত্তারক্ষীকেও।

জানা গিয়েছে, অভিযোগকারিণীর বয়ান ও সিসিটিভি ফুটেজের মধ্যে প্রাথমিকভাবে মিল পাওয়া গিয়েছে। ওই ফুটেজে দেখা গিয়েছে, অভিযুক্ত তিন ছাত্র এবং নিরাপত্তারক্ষী ঘটনার সময় ওই ঘরটির আশপাশেই ছিলেন। নিরাপত্তারক্ষীকে অভিযোগকারিণী ‘অসহায়’ বলে উল্লেখ করেছেন। তাঁর বক্তব্য, সাহায্য চেয়েও তিনি কোনও সাড়া পাননি।

তদন্তে উঠে এসেছে, ঘটনার সময় কলেজের ইউনিয়ন রুমেও কিছুটা ধস্তাধস্তির পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। পরে নির্যাতিতাকে নিয়ে যাওয়া হয় নিরাপত্তারক্ষীর ঘরে, যেখানে তিনি আরও ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখে পড়েন বলে জানিয়েছেন। তদন্তকারীরা মনে করছেন, ঘটনার সঙ্গে অভিযুক্তদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল। তাঁদের মধ্যে এক জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে শারীরিক নিগ্রহের, আর বাকি দু’জন সহায়তা করেছিলেন। নিরাপত্তারক্ষীও সেই সময়ে বাইরে উপস্থিত ছিলেন বলে দাবি।

পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃত নিরাপত্তারক্ষী জিজ্ঞাসাবাদে অসংলগ্ন উত্তর দেন। ঘটনার সময় ক্যাম্পাসে তাঁর উপস্থিতির প্রমাণ সিসিটিভিতে পাওয়া গিয়েছে। তিনি একাই ডিউটিতে ছিলেন, নাকি অন্য কোনও রক্ষীও উপস্থিত ছিলেন, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনার তদন্তের জন্য কলকাতা পুলিশ ইতিমধ্যেই একটি পাঁচ সদস্যের বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT) গঠন করেছে, যার নেতৃত্বে রয়েছেন অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার প্রদীপকুমার ঘোষাল। অভিযোগকারিণী এবং তাঁর বাবা-মায়ের গোপন জবানবন্দির জন্য ইতিমধ্যেই আদালতে আবেদন জানানো হয়েছে।

ধৃত তিন ছাত্রকে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ও রাত সাড়ে ১২টার মধ্যে বিভিন্ন সময় গ্রেফতার করে পুলিশ। শুক্রবার আদালত তাঁদের চার দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেয়। পুলিশ খতিয়ে দেখছে, গোটা ঘটনাটি পূর্বপরিকল্পিত ছিল কি না। অভিযোগকারিণী যে যে তথ্য লিখিতভাবে জানিয়েছেন, তার বেশিরভাগই মেল খাচ্ছে সিসিটিভি ফুটেজের সঙ্গে। আপাতত ফুটেজ বিশ্লেষণ, তথ্য সংগ্রহ এবং অভিযুক্তদের জেরা করে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে SIT।
 


```