Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য করতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশু

নিকোপার্কে যুবকের মৃত্যু: পরিবারের অভিযোগ গাফিলতির, ময়নাতদন্তে হৃদরোগে মৃত্যুর ইঙ্গিত

রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, রাহুলের মাথায় আঘাতের চিহ্ন মিলেছে, তবে চিকিৎসকদের মতে, পড়ে যাওয়ার ফলেই সে আঘাত লেগে থাকতে পারে। 

নিকোপার্কে যুবকের মৃত্যু: পরিবারের অভিযোগ গাফিলতির, ময়নাতদন্তে হৃদরোগে মৃত্যুর ইঙ্গিত

নিকোপার্ক

শুভম সেনগুপ্ত

শেষ আপডেট: 17 July 2025 22:02

দ্য ওয়াল ব্যুরো: কলকাতার জনপ্রিয় নিকোপার্কে (Nicco Park) ঘুরতে গিয়ে রহস্যজনকভাবে প্রাণ হারান এক যুবক (Death)। বুধবার উল্টোডাঙার বাসিন্দা রাহুল দাস বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে পার্কে গিয়েছিলেন। সেখানেই হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। পরে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন তাঁকে। ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে পরিবার দাবি করেছে, ছেলের শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন ছিল এবং পার্ক কর্তৃপক্ষের গাফিলতিই এই মৃত্যুর জন্য দায়ী।

বৃহস্পতিবার রাহুলের দেহের ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে (Post mortem) জানানো হয়েছে, হৃদযন্ত্র বিকল হওয়াই মৃত্যুর কারণ। রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, রাহুলের মাথায় আঘাতের চিহ্ন মিলেছে, তবে চিকিৎসকদের মতে, পড়ে যাওয়ার ফলেই সে আঘাত লেগে থাকতে পারে। শরীরের আর কোথাও গুরুতর চোটের প্রমাণ মেলেনি।

তবে এই ব্যাখ্যা মানতে নারাজ পরিবার। তাঁদের দাবি, ছেলের পায়ের বুড়ো আঙুলে ক্ষত ছিল, শরীর নীল হয়ে গিয়েছিল, যা নিছক হৃদরোগের কারণে হতে পারে না। রাহুলের বাবা বলেন, “ও সম্পূর্ণ সুস্থ ছিল। বাড়ি থেকে হাঁসিখুশি বেরিয়েছিল। ওর শরীরে একাধিক আঘাত আমরা নিজের চোখে দেখেছি।”

ঘটনার বিবরণ অনুযায়ী, নিকোপার্কের অন্যতম আকর্ষণ ‘নায়াগ্রা ফল’-এ স্নান করতে গিয়েই হঠাৎ জ্ঞান হারান রাহুল। পার্কের কর্মীরা দ্রুত তাঁকে জল থেকে তুলে হুইলচেয়ারে করে নিয়ে আসেন এবং সল্টলেকের একটি বেসরকারি হাসপাতালে পাঠান। কিন্তু সেখানেই মারা যান যুবকটি।

পার্ক কর্তৃপক্ষ অবশ্য সমস্ত গাফিলতির অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে। নিকোপার্কের ম্যানেজিং ডিরেক্টর রাজেশ রায় সিঙ্ঘানিয়া জানান, ঘটনার পরপরই প্রাথমিক চিকিৎসা শুরু হয় এবং যথাসম্ভব দ্রুত হাসপাতালে পাঠানো হয় রাহুলকে। তাঁর কথায়, “বিষয়টি আকস্মিক। ওই যুবক আচমকাই সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়েন। সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল।”

রাহুলের পরিবারের প্রশ্ন, কেন পার্কে পর্যাপ্ত চিকিৎসা বা অক্সিজেনের ব্যবস্থা ছিল না? তাঁদের আরও দাবি, ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে নিকোপার্ক চত্বরে থাকা সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হোক। ইতিমধ্যেই তাঁরা পুলিশে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

প্রশ্ন উঠছে, নিরাপত্তা এবং চিকিৎসা পরিকাঠামো নিয়ে। জনপ্রিয় পার্কে বিপুল ভিড় থাকে প্রতিদিন। সেই পার্কে পর্যাপ্ত সতর্কতা এবং জরুরি অবস্থার ব্যবস্থা কতটা প্রস্তুত— এ নিয়ে নতুন করে ভাবনার অবকাশ তৈরি হয়েছে। যদিও এখনই শেষ কথা বলছে না কেউ। তদন্তের পরেই স্পষ্ট হবে যাবতীয় সন্দেহ।


```