পার্কের বিরুদ্ধে তদন্তের দাবিও তুলেছেন সত্যজিৎ দাস। তিনি জানান, 'কেন বারবার এই ধরনের ঘটনা ঘটছে। আজ আমার একমাত্র ছেলেকে হারিয়ে ফেললাম।'
_2.jpg.webp)
নিকোপার্কে মৃত্যু যুবকের
শেষ আপডেট: 16 July 2025 21:54
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বন্ধুদের সঙ্গে নিকোপার্কে গিয়ে আচমকাই মৃত্যু হয় ১৮ বছরের যুবকের। ছেলের মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ এনেছেন মৃতের বাবা। নিকোপার্ক কর্তৃপক্ষের তরফে দাবি করা হয়েছিল, রাহুল দাস আগে থেকেই গুরুতর অসুস্থ ছিলেন। যদিও তা অস্বীকার করেছেন সত্যজিৎ দাস।
রাহুলের বাবা সত্যজিৎ দাস জানিয়েছেন, 'কর্তৃপক্ষ ফোন করে জানায় তাঁর ছেলে অসুস্থ হয়ে পড়েছে। সে আগে থেকেই অসুস্থ ছিল, এমনটাই দাবি করা হয়েছে।' তাঁর কথায়, 'আমার ছেলের কোনওরকম অসুস্থতা ছিল না। জিম করত। নিজের খাবার নিজে বানাত। পাঁচ টাকার ওষুধ পর্যন্ত খেত না।'
সত্যজিৎবাবুর অভিযোগ, 'যে অ্যাম্বুলেন্স আনা হয়েছিল, সেখানে অক্সিজেন দেওয়ার কোনও ব্যবস্থা ছিল না।' প্রাথমিক চিকিৎসাটুকু পেলে তাঁর ছেলেকে মরতে হত না, এমনটাই দাবি রাহুলের বাবার।
পার্কের বিরুদ্ধে তদন্তের দাবিও তুলেছেন সত্যজিৎ দাস। তিনি জানান, 'কেন বারবার এই ধরনের ঘটনা ঘটছে। আজ আমার একমাত্র ছেলেকে হারিয়ে ফেললাম।'
ঠিক কী হয়েছিল? প্রত্যক্ষদর্শীদের কথায়, নায়াগ্রা ফলসের সামনে বারান্দায় দাঁড়িয়ে ছিল রাহুল। সেই সময় ওপর থেকে মাথায় জল পড়ছে। মজা করতে করতে তার মাঝেই মাথা ঘুরে বসে পড়ে সে। বন্ধুরা ধরাধরি করে নীচে নামাচ্ছে, সেটা লাইফ গার্ডদের চোখে পড়তেই সঙ্গে সঙ্গে ফার্স্ট এইড সেকশনে নিয়ে যাওয়া হয় তাকে। নিকোপার্কের ডিউটিতে থাকা নার্স রাহুলকে পরীক্ষা করে জানান, তার পালস খুব কম। দেরি না করে তৎক্ষণাৎ পার্কের নিজস্ব অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে ক্যালকাটা হার্ট ক্লিনিকে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু সেখানেই তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।