"আমরা নিরস্ত্র। বাড়ি থেকে বেরনোর পর থেকেই আমাদের আটকে দেওয়া হচ্ছিল। তারপরও এগিয়ে যাওয়ার পর গায়ে হাত তুলেছে পুলিশ। আমার হাতের শাঁখা ভেঙে দেওয়া হয়েছে," 'মমতার' পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ আরজি করের নিহত চিকিৎসকের বাবা-মায়ের।

ফাইল ছবি
শেষ আপডেট: 9 August 2025 15:18
দ্য ওয়াল ব্যুরো: "আমরা নিরস্ত্র। বাড়ি থেকে বেরনোর পর থেকেই আমাদের আটকে দেওয়া হচ্ছিল। তারপরও এগিয়ে যাওয়ার পর গায়ে হাত তুলেছে পুলিশ (Police)। আমার হাতের শাঁখা ভেঙে দেওয়া হয়েছে," 'মমতার' পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ আরজি করের নিহত চিকিৎসকের বাবা-মায়ের। জানা যাচ্ছে, পুলিশের লাঠির আঘাতে নির্যাতিতার মায়ের কপাল ফুলে গিয়েছে। যদিও বাধা বিপত্তি উপেক্ষা করেই কৌস্তভ বাগচিদের সঙ্গে নিয়ে নবান্নের দিকে এগোচ্ছেন তাঁরা।
অন্যদিকে, শুভেন্দু অধিকারীদের (Suvendu Adhikari) মিছিল পার্ক স্ট্রিটে পৌঁছোতেই আটকে দেয় পুলিশ। প্রথমে মিছিল ঘুরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন আন্দোলনকারীরা। পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। তাতেই পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু হয় আন্দোলনকারীদের। এরপর বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ শুরু করে পুলিশ। প্রতিবাদে পার্কস্ট্রিটেই রাস্তায় বসে পড়েন শুভেন্দু অধিকারী, অগ্নিমিত্রা পালরা। তাঁদের স্পষ্ট বক্তব্য, যতক্ষণ না নির্যাতিতার বাবা-মা বলছেন ততক্ষণ এভাবেই বসে থাকবেন। আন্দোলন প্রত্যাহারও হবে তাঁদেরই সিদ্ধান্তে।
ব্যারিকেডের সামনে থেকে সরে রাস্তার এক পাশে গিয়ে ফাঁক দিয়ে পুলিশের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করেন নির্যাতিতার বাবা (RG Kar Victims Father)। তিনি বলেন, “হাইকোর্ট আমাদের অনুমতি দিয়েছে, তাহলে আটকাচ্ছেন কেন? আমরা শান্তিপূর্ণভাবেই যাচ্ছি, আমাদের যেতে দিন।” কিন্তু পুলিশের কাছ থেকে কোনও উত্তর না মেলায় সেখানে বসে অবস্থান নেওয়ার পরিকল্পনা করেন তিনি ও নির্যাতিতার মা।
আটকানোর জেরে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। কিছুক্ষণ পর নির্যাতিতার বাবা-মা সরাসরি পুলিশের ব্যারিকেডে উঠে পড়েন। রেসকোর্সের কাছে পুলিশ ব্যারিকেডে সেখানেই আটকে যান তাঁরা।