২০২৪ সালের জানুয়ারিতে লেকটাউনে সুজিতের দু’টি বাড়িতে দীর্ঘ তল্লাশি চালিয়ে বেশ কিছু নথি এবং তাঁর মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করে ইডি। সেখানে বেশ কিছু নথি বাজেয়াপ্ত করেন তদন্তকারীরা। তারই জেরে ইডির নজরে বসু পরিবার।

সুজিত বসু ও সমুদ্র বসু।
শেষ আপডেট: 24 November 2025 14:11
দ্য ওয়াল ব্যুরো: অবশেষে সল্টলেকে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দফতরে হাজির হলেন দমকল মন্ত্রী সুজিত বসুর ছেলে সমুদ্র বসু (Fire Minister Sujit Basus son Samudra Basu faces ED questioning)। সূত্রের খবর, বেলা ১২টা নাগাদ তিনি সিজিওতে ইডি দফতরে হাজির হন। এরপরই শুরু হয়েছে জেরা পর্ব।
সূত্রের খবর, পুর নিয়োগ দুর্নীতির (Municipal Recruitment Corruption) তদন্তের সূত্র ধরেই সমুদ্রকে জেরা করছেন তদন্তকারীরা। এর আগে গত বুধবার ইডির তলব এড়িয়েছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী সুজিত বসুর স্ত্রী (Sujit Basu)। আর বৃহস্পতিবার ইডির (ED) তলবে হাজিরা দেননি মন্ত্রী পুত্র সমুদ্র বসু।
সে সময় ব্যক্তিগত কাজের 'কারণে' তাঁকে অন্য দিনে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকতে অনুরোধও করেছিলেন সমুদ্র। তখন স্ত্রী ও ছেলের পাশে দাঁড়িয়ে সুজিত বসু বলেছিলেন, “পালিয়ে যাওয়ার লোক নই আমরা।”
এর আগে গত মঙ্গলবার ইডির তলবে হাজিরা দিয়েছিলেন সুজিতের কন্যা মোহিনী বসু। নথিপত্র হাতে সিজিও কমপ্লেক্সে পৌঁছন তিনি। তার আগের দিন পুর নিয়োগ মামলায় মোহিনীর স্বামীকেও জেরা করেন তদন্তকারীরা। সূত্রের দাবি, কয়েক মাস আগেই মোহিনীর সঙ্গে বিচ্ছেদ হয়েছে তাঁর। ব্যবসায়িক লেনদেন এবং তাতে দুর্নীতির টাকার সম্ভাব্য ব্যবহার—এই মিল খুঁজতেই তাঁরা তদন্তের অন্তর্ভুক্ত।
২০২৪ সালের জানুয়ারিতে লেকটাউনে সুজিতের দু’টি বাড়িতে দীর্ঘ তল্লাশি চালিয়ে বেশ কিছু নথি এবং তাঁর মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করে ইডি। সম্প্রতি তদন্তের গতি বাড়াতেই কলকাতার বিভিন্ন জায়গায় ফের হানা দেয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সল্টলেক সেক্টর ওয়ানে মন্ত্রীর দফতর এবং গোলাহাটায় সমুদ্রের ধাবায় চলে তল্লাশি। সেখানে বেশ কিছু নথি বাজেয়াপ্ত করেন তদন্তকারীরা। তারই জেরে ইডির নজরে বসু পরিবার।