মেট্রো কর্তৃপক্ষের এই উদ্যোগে সপ্তাহান্তে যাতায়াত করা অফিসযাত্রী, পর্যটক ও সাধারণ মানুষের যাত্রা যে অনেকটাই স্বস্তির হবে, সে বিষয়ে আশাবাদী যাত্রী মহল।

ফাইল ছবি।
শেষ আপডেট: 3 January 2026 15:16
দ্য ওয়াল ব্যুরো: নতুন বছরের শুরুতেই কলকাতা মেট্রোর যাত্রীদের জন্য সুখবর।
যাত্রীদের ভিড় ও চাহিদার কথা মাথায় রেখে জানুয়ারি মাসের টানা চারটি রবিবার— ৪, ১১, ১৮ ও ২৫ জানুয়ারি— ব্লু লাইন ও গ্রিন লাইনে বাড়তি মেট্রো পরিষেবা চালুর সিদ্ধান্ত নিল মেট্রো কর্তৃপক্ষ (Metro relief on Sundays, extra trains on Blue-Green Line in four weeks of January)। সপ্তাহান্তে অফিসযাত্রী, পর্যটক এবং সাধারণ যাত্রীদের যাতায়াত আরও মসৃণ করতেই এই উদ্যোগ।
এই চার রবিবার ব্লু লাইনে মোট ১৬০টি ট্রেন (৮০ আপ ও ৮০ ডাউন) চালানো হবে। সাধারণত রবিবারে যেখানে ১৩০টি মেট্রো চলে, সেখানে এ বার উল্লেখযোগ্য ভাবে পরিষেবা বাড়ানো হচ্ছে। এর ফলে যাত্রীদের সুবিধা হবে বলেই মত মেট্রো কর্তৃপক্ষর
প্রথম মেট্রো (সময় অপরিবর্তিত):
দক্ষিণেশ্বর–শহিদ ক্ষুদিরাম: সকাল ৯টা
শহিদ ক্ষুদিরাম–দক্ষিণেশ্বর: সকাল ৯টা
নোয়াপাড়া–শহিদ ক্ষুদিরাম: সকাল ৯টা
শেষ মেট্রো:
দক্ষিণেশ্বর–শহিদ ক্ষুদিরাম: রাত ৯টা ৩৩
শহিদ ক্ষুদিরাম–দক্ষিণেশ্বর: রাত ৯টা ৩৩
শহিদ ক্ষুদিরাম–দমদম: রাত ৯টা ৪৪
এ ছাড়া বিকেল ৩টা ২০ মিনিট থেকে সন্ধ্যা ৭টা ২০ মিনিট পর্যন্ত ১০ মিনিটের বদলে প্রতি ৮ মিনিট অন্তর ব্লু লাইনে মেট্রো পাওয়া যাবে।
গ্রিন লাইনে এই চার রবিবার মোট ১২৪টি পরিষেবা (৬২ আপ ও ৬২ ডাউন) চালানো হবে। যেখানে সাধারণ দিনে ১০৮টি ট্রেন চলে, সেখানে এ বার বাড়ছে পরিষেবা।
প্রথম মেট্রো:
সল্টলেক সেক্টর ফাইভ–হাওড়া ময়দান: সকাল ৯টা ২ মিনিট
হাওড়া ময়দান–সল্টলেক সেক্টর ফাইভ: সকাল ৯টা
সিটি সেন্টার–হাওড়া ময়দান: সকাল ৯টা
শেষ মেট্রো:
সল্টলেক সেক্টর ফাইভ–হাওড়া ময়দান: রাত ৯টা ৫৫
হাওড়া ময়দান–সল্টলেক সেক্টর ফাইভ: রাত ৯টা ৫৫
হাওড়া ময়দান–সেন্ট্রাল পার্ক: রাত ১০টা ৫ মিনিট
গ্রিন লাইনে বিকেল ৪টা ২ মিনিট থেকে রাত ৮টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত ১৫ মিনিটের বদলে প্রতি ১০ মিনিট অন্তর পরিষেবা মিলবে।
অন্যান্য লাইনের ছবি
ইয়েলো লাইনে এই চারটি রবিবারে নিয়মিত পরিষেবাই বজায় থাকবে। তবে অরেঞ্জ ও পার্পল লাইনে আগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মেট্রো চলাচল বন্ধই থাকবে। মেট্রো কর্তৃপক্ষের এই উদ্যোগে সপ্তাহান্তে যাতায়াত করা অফিসযাত্রী, পর্যটক ও সাধারণ মানুষের যাত্রা যে অনেকটাই স্বস্তির হবে, সে বিষয়ে আশাবাদী যাত্রী মহল।