বিরোধী দলনেতার (Leader of Opposition) নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্বও পুনর্ব্যক্ত করেছে আদালত।
.jpeg.webp)
শুভেন্দু অধিকারী
শেষ আপডেট: 27 February 2026 13:04
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সিইও দফতরের (CEO West Bengal) মতো অতি গুরুত্বপূর্ণ জায়গার সামনে রাজ্যের (West Bengal News) বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর নিরাপত্তা (Suvendu Adhikari BJP) ও হেনস্থার ঘটনায় এ বার নজরদারি বাড়াল কলকাতা হাইকোর্ট (Kolkata High Court)। ২৪ ফেব্রুয়ারির সেই অনভিপ্রেত ঘটনার প্রেক্ষিতে পুলিশকে (Kolkata Police News) বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিরোধী দলনেতার (Leader of Opposition) নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্বও পুনর্ব্যক্ত করেছে আদালত।
কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন আইনজীবীর
শুক্রবারের শুনানিতে শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) আইনজীবী নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে ঘোর সংশয় প্রকাশ করেন। প্রশ্ন তোলা হয়, সিইও দফতরের (CEO Office) মতো সংবেদনশীল এলাকার প্রবেশপথে কীভাবে বিক্ষোভকারীদের জটলা বা জুতো ছোড়ার মতো ঘটনা ঘটে? কমিশনের (Commission) নজরদারি বা পূর্ববর্তী নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও ওই ঘটনার পুনরাবৃত্তি কেন হল, তা নিয়েও সংশয় প্রকাশ করা হয়েছে। শুভেন্দুর আইনজীবীর তরফে আর্জি জানানো হয়, কমিশনের দফতরের ২০০ মিটারের মধ্যে যাতে কোনও বিক্ষোভ বা সভা না হয়, তা আদালত সুনিশ্চিত করুক।
রাজ্যের সময় প্রার্থনা ও আদালতের নির্দেশ
অন্যদিকে, রাজ্যের তরফে আইনজীবীরা জানান, ঘটনাটি নিয়ে তাঁরা তদন্ত করছেন এবং রিপোর্ট জমা দিতে প্রস্তুত। তবে এর জন্য ৫ মার্চ পর্যন্ত সময় চাওয়া হয়। দুই পক্ষের সওয়াল-জবাব শোনার পর প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ ৫ মার্চ মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেছে। তবে তার আগে আদালত (Kolkata High Court) সাফ জানিয়ে দিয়েছে, বিধানসভার (Assembly) বিরোধী দলনেতার নিরাপত্তা যেন কোনওভাবেই বিঘ্নিত না হয়।
কী ঘটেছিল ২৪ ফেব্রুয়ারি?
গত ২৪ ফেব্রুয়ারি সিইও দফতরে যাওয়ার পথে বাধার মুখে পড়েন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari News)। তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখানো হয় এবং এক পর্যায়ে জুতো ছোড়ার অভিযোগও ওঠে। বিরোধী দলনেতার অভিযোগ ছিল, ঘটনাস্থলে পুলিশ থাকলেও তারা নিষ্ক্রিয় ছিল। এই হেনস্থার ঘটনাতেই হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন তিনি। আদালত এর আগেও পুলিশের (Kolkata Police) শীর্ষ কর্তাদের বিরোধী দলনেতার নিরাপত্তার বিষয়ে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছিল। এ দিনের নির্দেশের পর ওই ঘটনার তদন্ত কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেটাই দেখার।