চিঠি অনুযায়ী, ১ মার্চের মধ্যে প্রথম দফায় ২৪০ কোম্পানি এবং ১০ মার্চের মধ্যে আরও ২৪০ কোম্পানি রাজ্যে ঢুকবে। বাহিনীর মধ্যে রয়েছে সিআরপিএফ (CRPF), বিএসএফ (BSF), সিআইএসএফ, আইটিবিপি ও এসএসবি।

রাজ্যে কোথায় কত কোম্পানি বাহিনী
শেষ আপডেট: 26 February 2026 13:18
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সাধারণত রাজ্যে ভোট ঘোষণা দু-একদিনের মধ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Force) মোতায়েনের দৃশ্য দেখেছে পশ্চিমবঙ্গ (West Bengal)। তবে চলতি SIR-এর কারণে এবার যেন অন্য চিত্র। ভোট ঘোষণা (West Bengal Assembly Election 2026) হওয়ার অনেকটা আগেই কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল সে খবর আগেই করেছিল দ্য ওয়াল। প্রথম দফার ২৪০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী ১ তারিখ থেকেই মোতায়েন করা হবে। এবার সামনে এল সেই বাহিনীর জেলা ভিত্তিক পরিসংখ্যান। এবং এই পরিসংখ্যান থেকে একটা বিষয় পরিষ্কার যে রাজ্যের সংখ্যালঘু ও বিশেষত বাংলাদেশ লাগোয়া সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতেই কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে সবচেয়ে বেশি। ব্যতিক্রম শুধু বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) জেলা পূর্ব মেদিনীপুর (Purba Medinipur)।
চিঠি অনুযায়ী, ১ মার্চের মধ্যে প্রথম দফায় ২৪০ কোম্পানি এবং ১০ মার্চের মধ্যে আরও ২৪০ কোম্পানি রাজ্যে ঢুকবে। বাহিনীর মধ্যে রয়েছে সিআরপিএফ (CRPF), বিএসএফ (BSF), সিআইএসএফ, আইটিবিপি ও এসএসবি। ইভিএম ও স্ট্রংরুম পাহারা, ভোটের দিন (Election Security) নিরাপত্তা, এলাকা দখলমুক্ত রাখা এবং আস্থা ফেরানো— এই সব দায়িত্বেই তাদের ব্যবহার করা হবে। প্রতিটি কোম্পানির ৯টি সেকশনের মধ্যে ৮টি সেকশন সরাসরি বুথ ও আইনশৃঙ্খলার দায়িত্বে থাকবে, বাকি ১টি কিউআরটি ও তদারকির কাজে।
জেলাভিত্তিক বণ্টনে নজর কেড়েছে পূর্ব মেদিনীপুর (Purba Medinipur)। সেখানে পাঠানো হচ্ছে ১৪ কোম্পানি। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) জেলা হওয়ায় পূর্ব মেদিনীপুরে বাড়তি সতর্কতা রাখা হচ্ছে।
এর পরেই,
২৮ তারিখ চূড়ান্ত তালিকা, বাড়তি আশঙ্কা
রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) মনোজ আগরওয়ালের মতে, ২৮ তারিখ চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পর কিছু এলাকায় অশান্তি তৈরি হতে পারে। সেই সম্ভাবনা মাথায় রেখেই আগাম প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। প্রয়োজনে বিচার বিভাগীয় আধিকারিকদের নিরাপত্তাতেও কেন্দ্রীয় বাহিনী ব্যবহার করা হতে পারে বলে ইঙ্গিত মিলেছে প্রশাসনিক সূত্রে।
সব মিলিয়ে, চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের আগে থেকেই রাজ্যে নজিরবিহীন নিরাপত্তা বলয় গড়ে তুলতে চাইছে কমিশন ও কেন্দ্র।