খবর, সিন্ডিকেটের ঝামেলা থেকেই এই বিবাদের সূত্রপাত (agitation in golpark)।

প্রতীকী ছবি - এআই দিয়ে তৈরি
শেষ আপডেট: 2 February 2026 00:20
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রবিবারের সন্ধেবেলা দুষ্কৃতীদের অবাধ তাণ্ডব দেখল গোলপার্কের (Golpark firing) কাঁকুলিয়া রোড, পঞ্চাননতলা এলাকা। খবর, সিন্ডিকেটের ঝামেলা থেকেই এই বিবাদের সূত্রপাত (agitation in golpark)। অভিযোগের তির স্থানীয় দুষ্কৃতি সোনা পাপ্পু ও তার দলবলের দিকে। এখনও সেখানে এদিক সেদিক পড়ে রয়েছে গুলি খোল।
সাড়ে আটটা নাগাদ বোমা চার্জ করতে করতে ঢোকে দুষ্কৃতিরা। বোমার পাশাপাশি কাচের বোতল, ইটও ছোড়া হয়। তারা বাড়িতে ঢুকেও আক্রমণ করে বলে জানা গিয়েছে। ১০০-১৫০ লোকের জমায়েত করে ওই হামলা চালিয়েছিল বলে জানান প্রত্যক্ষদর্শীরা।
প্রসঙ্গত, ঘটনাস্থল থেকে থানার দূরত্ব খুব বেশি নয়। শুধু তাই নয়, ভাঙচুরের কবলে পড়ে পুলিশের গাড়িও।
ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে রবীন্দ্র সরোবর থানার পুলিশ। ঘটনার মোকাবিলা সংক্রান্ত পুলিশের ভূমিকা নিয়েও ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা। তাঁদের বক্তব্য, আগেও এমন ঘটনা ঘটেছে, কিন্তু পুলিশের তরফে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
ইতিমধ্যে প্রকাশ্যে এসেছে সোনা পাপ্পুর সঙ্গে রাজনৈতিক দলের যোগাযোগ। তাছাড়া একাধিক ঘটনায় যুক্ত থাকার বদনামও রয়েছে তার। সব মিলিয়ে নানারকম প্রশ্ন তুলছেন স্থানীয় মানুষ।
সূত্রের খবর, একজনকে চপার দিয়ে কোপানোও হয়। এলাকায় এখনও ছড়িয়ে চাপ চাপ রক্ত। এখনও পর্যন্ত যা জানা গিয়েছে, গুরুতর আহত হয়েছেন দু'জন, নাম সনৎ সিং এবং গণেশ দাস। সনতের মাথায় গভীর আঘাত রয়েছে এবং গণেশের গায়ে গুলির লাগে। এই মুহূর্তে এসএসকেএম ট্রমা সেন্টারে তাঁরা চিকিৎসাধীন। ঘটনার পর স্থানীয় তৃণমূল কাউন্সিলর সেখানে এলে তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান এলাকার মানুষ।
এলাকায় শান্তি বজায় রাখার চেষ্টায় বসেছে পুলিশ পিকেটিং। ডিসি ভোলানাথ পান্ডেও এসেছিলেন ঘটনাস্থলে। অভিযুক্তদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে স্থানীয়দের। টানা চলছে তল্লাশি অভিযান। মানুষকে বাড়িতেই থাকার কথা জানানো হয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত কোনও পুলিশি অভিযোগ দায়ের হয়নি বলে জানাচ্ছে সূত্র।
স্থানীয়দের কথায়, গণেশ পুজোর সময়ও এলাকায় এমন ঘটনা ঘটেছিল। ঘুম উড়েছে স্থানীয়দের। আপাতত শান্তি চাইছেন এলাকাবাসী।