তদন্তে উঠে আসা তথ্য অনুযায়ী, ওই তরুণীর ওপর নির্যাতনের ঘটনায় আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না, সেই দিকটিও খতিয়ে দেখা হবে। পাশাপাশি, কার কী ভূমিকা ছিল, কী উদ্দেশে এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে, তা-ও জানার চেষ্টা চলছে।

ফাইল চিত্র
শেষ আপডেট: 6 August 2025 07:44
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কসবা ল কলেজ গণধর্ষণকাণ্ডে (Kasba Law College Rape Case) আবারও পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হল মূল অভিযুক্ত মনোজিৎ মিশ্র-সহ ধৃতদের। মঙ্গলবার আলিপুর আদালত নির্দেশ দিয়েছে, আগামী ৮ অগস্ট পর্যন্ত তাঁদেরকে পুলিশের হেফাজতে রাখা হবে। তদন্তের স্বার্থে অভিযুক্তদের মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করতে চায় পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে খবর, বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ফরেনসিক নমুনা, ডিজিটাল তথ্য এবং কয়েকজন সাক্ষীর বয়ান সংগ্রহ করা হয়েছে বলে আদালতকে জানিয়েছে তদন্তকারী দল। সেগুলির সঙ্গে অভিযুক্তদের বক্তব্য মেলানোর জন্যই ফের জেরা করা প্রয়োজন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
তদন্তে উঠে আসা তথ্য অনুযায়ী, ওই তরুণীর ওপর নির্যাতনের ঘটনায় আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না, সেই দিকটিও খতিয়ে দেখা হবে। পাশাপাশি, কার কী ভূমিকা ছিল, কী উদ্দেশে এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে, তা-ও জানার চেষ্টা চলছে।
পুলিশ আদালতে আরও জানিয়েছে, ইতিমধ্যেই বেশ কিছু তথ্যের বিশ্লেষণ শুরু হয়েছে। অভিযুক্তদের বয়ান ও সাক্ষ্য প্রমাণ একসঙ্গে মিলিয়ে দেখে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। সেই কারণেই একাধিক ধৃতকে একসঙ্গে বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে জানা গেছে।
এ দিন আদালতে মূল অভিযুক্ত মনোজিৎ মিশ্রর আইনজীবী তাঁর মক্কেলের জামিনের আবেদন জানিয়ে দাবি করেন, অভিযুক্ত কোনও ভাবেই প্রভাবশালী ব্যক্তি নন। যদিও বিচারক সেই আবেদন খারিজ করে দেন। এই মামলার পরবর্তী শুনানি হতে পারে আগামী শুক্রবার।
গত ২৫ জুন সাউথ ক্যালকাটা ল কলেজে (South Calcutta Law College) এক ছাত্রীকে গণধর্ষণের অভিযোগ ওঠে ওই কলেজেরই প্রাক্তনী মনোজিৎ মিশ্র এবং দুই বর্তমান পড়ুয়া জইব আহমেদ ও প্রমিত মুখোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। নির্যাতিতার অভিযোগের ভিত্তিতে তিনজনকেই গ্রেফতার করা হয়। জানা যায়, ধৃত মনোজিৎ (Manojit Mishra) শাসক দলের প্রভাবশালী ছাত্রনেতা বলেই পরিচিত ছিল কলেজে। অন্যদিকে, জইব ও প্রমিত ছিল তাঁর শাগরেদ। গ্রেফতার করা হয় কলেজের নিরাপত্তারক্ষীকেও। নির্যাতিতার অভিযোগ ছিল, মনোজিতের কথাতেই কলেজের মেন গেট বন্ধ করে দিয়েছিলেন তিনি।