দীর্ঘ সময় ধরে চিংড়িঘাটা মেট্রো সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে বেশ কিছু সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছে কলকাতা মেট্রো রেল কর্পোরেশনকে (Kolkata Metro)।

থমকে চিংড়িঘাটা মেট্রো
শেষ আপডেট: 5 December 2025 14:20
দ্য ওয়াল ব্যুরো: চিংড়িঘাটা মেট্রো (Chingrighata Metro) প্রকল্পে জট কাটছেই না। রাজ্যের অসহযোগিতায় ক্ষুব্ধ রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব (Rail Minister Ashwini Vaishnaw)। সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্ব চলাকালীন তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ কল্যাণ বন্দোপাধ্যায়ের (Kalyan Banerjee) প্রশ্নের জবাবে জমির অসুবিধার কথা তুলে ধরেছিলেন রেলমন্ত্রী। পরে হাইকোর্টের হস্তক্ষেপ চেয়ে দৃষ্টি আকর্ষণও করে নির্মাণকারী সংস্থা আরভিএনএল। এবার সেই নিয়েই রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেলকে ডেকে পাঠাল হাইকোর্ট (Kolkata High Court)।
দীর্ঘ সময় ধরে চিংড়িঘাটা মেট্রো সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে বেশ কিছু সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছে কলকাতা মেট্রো রেল কর্পোরেশনকে (Kolkata Metro)। এ নিয়ে স্থানীয় এক বাসিন্দা কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেন। সেই মামলার পরিপ্রেক্ষিতে আজ কলকাতা হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেলকে তলব করেন। জটিলতা কীভাবে কাটানো যায় তা জানতেই মূলত তাঁকে ডাকা হয়েছে।
আগের দিনই রেলমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, ‘জমিজটের জন্য নোয়াপাড়া-বারাসত মেট্রোও ফেঁসে আছে।’ একইরকমভাবে জমিজট এবং জবরদখলের কারণে কলকাতা মেট্রোর ইয়েলো লাইনের সম্প্রসারণের কাজেও সমস্যা হচ্ছে বলে অভিযোগ তোলা হয়েছে।
রেলমন্ত্রী জানিয়েছেন, নোয়াপাড়া থেকে বারাসত পর্যন্ত প্রস্তাবিত ১৮ কিমি মেট্রো লাইনে ৬.৭৭ কিমি অংশে (নোয়াপাড়া থেকে এয়ারপোর্ট) পরিষেবা চালু হয়ে গিয়েছে। এয়ারপোর্ট থেকে মাইকেলনগর পর্যন্ত কাজ চলছে। কিন্তু জমি জটের কারণে নিউ ব্যারাকপুর থেকে বারাসত পর্যন্ত ৭.৫ কিমি পর্যন্ত কাজ থমকে আছে। সেক্ষেত্রে রাজ্য সরকারের সহযোগিতা মিলছে না বলেও অভিযোগ করেছেন রেলমন্ত্রী।
আদালতের নির্দেশে সংশ্লিষ্ট সব কর্তৃপক্ষ বৈঠক করেছিলেন। সেই বৈঠকে রাজ্য সরকার এবং পুলিশের তরফে সহযোগিতার আশ্বাস মিলেছিল। কিন্তু সময় পেরিয়ে গেলেও এখনও সংশ্লিষ্ট রাস্তা বন্ধের অনুমতি দেয়নি প্রশাসন। নভেম্বরে কাজ শুরুর কথা থাকলেও তা হয়নি। নিউ গড়িয়া-বিমানবন্দর মেট্রোপথে বেলেঘাটা এবং গৌরকিশোর ঘোষ স্টেশনের মধ্যবর্তী অংশের অসম্পূর্ণ কাজ এখনও থমকে। এখন দেখার, রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেলকে ডেকে পাঠানোর পর আলোচনায় কোনও সুরাহার পথ বেরোয় কিনা।