Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
TB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনেরভাঁড়ে মা ভবানী! ঘটা করে বৈঠক ডেকে সেরেনা হোটেলের বিলই মেটাতে পারল না 'শান্তি দূত' পাকিস্তানসরকারি গাড়ির চালককে ছুটি দিয়ে রাইটার্স থেকে হাঁটা দিলেন মন্ত্রীছত্তীসগড়ে পাওয়ার প্ল্যান্টে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ! মৃত অন্তত ৯, ধ্বংসস্তূপের নীচে অনেকের আটকে পড়ার আশঙ্কা

টানা বৃষ্টিতে ধসে পড়ল গিরিশ পার্কের একটি বাড়ি, অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন বাসিন্দারা

কলকাতা পুরসভা ও দমকল বিভাগ রাতে ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঘিরে দেয় গোটা এলাকা। যাতে কেউ ধসে পড়া বাড়ির ধারে না যান, সে ব্যবস্থা করা হয়। পাশাপাশি, শুরু হয়েছে ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজও।

টানা বৃষ্টিতে ধসে পড়ল গিরিশ পার্কের একটি বাড়ি, অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন বাসিন্দারা

গিরিশপার্কের বাড়িটি

গার্গী দাস

শেষ আপডেট: 25 July 2025 12:26

দ্য ওয়াল ব্যুরো:বৃহস্পতিবার সন্ধের পর থেকে টানা বৃষ্টির জেরে গভীর রাতে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল গিরিশ পার্কের একটি পরিত্যক্ত বাড়ির একাংশ। বৃহস্পতিবার রাতের এই ঘটনায় প্রাণহানির খবর না থাকলেও আতঙ্ক ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়। পুরসভা ও দমকলের তৎপরতায় দ্রুত এলাকায় পৌঁছে শুরু হয়েছে ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ। সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে আশপাশের বাসিন্দাদের।

ঘটনাস্থল সুবীর চ্যাটার্জি রোডের ১২ নম্বর বাড়ি, যা কলকাতা পুরসভার ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্গত। পুরনো, দীর্ঘদিনের ফাঁকা ওই বাড়িটিকে বিপজ্জনক ঘোষণা করা হয়েছিল। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে আচমকাই তার উপরের দিকের একাংশ ভেঙে পড়ে যায়।

পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনায় কেউ আহত হননি। তবে রাতের নিস্তব্ধতায় বিকট শব্দে ভেঙে পড়া অংশ ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে গোটা এলাকায়। আশপাশের বাসিন্দারা আতঙ্কে বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসেন। এলাকার এক প্রবীণ বাসিন্দা বলেন, 'অনেকদিন ধরেই বলছিলাম বাড়িটা ভেঙে ফেলা হোক। ওটা একটা দুর্ঘটনা ঘটানোর জন্য বসে ছিল।'

কলকাতা পুরসভা ও দমকল বিভাগ রাতে ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঘিরে দেয় গোটা এলাকা। যাতে কেউ ধসে পড়া বাড়ির ধারে না যান, সে ব্যবস্থা করা হয়। পাশাপাশি, শুরু হয়েছে ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজও। পুরসভার তরফে জানানো হয়েছে, বাড়িটির বাকি অংশও যে কোনও সময়ে ধসে পড়তে পারে। তাই আশপাশের বসবাসকারী পরিবারগুলিকে আপাতত নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

এদিকে টানা বৃষ্টিতে শহরের একাধিক এলাকায় জল জমেছে। উত্তর ও মধ্য কলকাতার বহু রাস্তায় হাঁটু জলে গাড়ির গতি কার্যত থমকে গেছে। বেশ কয়েকটি এলাকায় রুট ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছে, কোথাও কোথাও দেখা দিয়েছে যানজট। পুরসভার এক আধিকারিক বলেন, 'ধসে পড়া বাড়িটি বহু পুরনো। আমরা আগে থেকেই বিপজ্জনক চিহ্নিত করে দিয়েছিলাম। নিয়মমতো নোটিসও দেওয়া হয়েছিল। আজকের বৃষ্টিতে দুর্ভাগ্যজনকভাবে বাড়ির একাংশ ভেঙে পড়েছে। আমরা সর্বতভাবে চেষ্টা করছি, যাতে আর কোনও বিপদ না ঘটে।'


```