২০১৭ এবং ২০২২- এই দুই বছরের টেট পরীক্ষা নিয়ে ভুল প্রশ্নের অভিযোগ উঠেছিল। কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের হয়।
.jpeg.webp)
কলকাতা হাইকোর্ট (ফাইল ছবি)
শেষ আপডেট: 24 November 2025 17:15
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ২০১৭ ও ২০২২ টেটের প্রশ্ন ভুল মামলায় (Primary Tet wrong question case) স্বস্তি প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের। সোমবার এই মামলার শুনানি হয় কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি বিশ্বনাথ বসুর বেঞ্চে। বিশেষজ্ঞ কমিটির রিপোর্টে উল্লেখ, শুধু মাত্র ১ টি প্রশ্ন ভুল রয়েছে। অভিযোগ ভিত্তিহীন বলেই দাবি করেছে তারা।
২০১৭ এবং ২০২২- এই দুই বছরের টেট পরীক্ষা নিয়ে ভুল প্রশ্নের অভিযোগ উঠেছিল। কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের হয়। পরীক্ষার্থীদের দাবি ছিল, ২০১৭ সালের টেটে (2017 Primary TET) ২৩টি এবং ২০২২ সালের টেটে (2022 Primary TET) ২৪টি- মোট ৪৭টি প্রশ্ন ভুল ছিল। এই অভিযোগের ভিত্তিতেই হাইকোর্ট বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করে। সেই দুই কমিটির রিপোর্ট জমা পড়ল আদালতে। আর সেই রিপোর্ট বলছে, প্রশ্নপত্রে এতগুলি ভুলের অভিযোগ ভিত্তিহীন।
বিশেষজ্ঞ কমিটির পর্যালোচনায় জানা গেছে, ২০১৭ সালের টেট পরীক্ষায় মাত্র ১টি প্রশ্নে ভুল পাওয়া গেছে। আর ২০২২ সালের টেট প্রশ্নপত্রে একটিও ভুল নেই। আদালতে জমা দেওয়া রিপোর্টে এই তথ্য স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছে দুই কমিটি। ফলে যেসব পরীক্ষার্থী অনেকগুলো ভুল প্রশ্নের দাবি তুলেছিলেন, তাঁদের অভিযোগকে কার্যত নাকচ করল বিশেষজ্ঞ কমিটির রিপোর্ট।
পর্ষদ জানিয়েছে, ২০১৭ সালের টেটে যে ১টি প্রশ্নে ভুল পাওয়া গেছে, সেখানে যাঁরা সঠিক উত্তর দিতে পারেননি, তাঁদের প্রত্যেককে ১ নম্বর করে দেওয়া হবে। এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে যোগ করা হবে। ২০২২ সালের টেট পরীক্ষায় প্রশ্নে কোনও ভুল না থাকায় সেখানে অতিরিক্ত নম্বর দেওয়ার প্রশ্ন নেই।
হাইকোর্টের বিচারপতি বিশ্বনাথ বসু নির্দেশ দিয়েছেন, '২০১৭ সালের টেটের বিশেষজ্ঞ কমিটির সম্পূর্ণ রিপোর্ট আগামী ৭ দিনের মধ্যে পর্ষদের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করতে হবে। ২০২২ সালের টেটের বিশেষজ্ঞ কমিটির রিপোর্ট আগামী ২ দিনের মধ্যে আপলোড করতে হবে।'
২০১৭ এবং ২০২২ সালের টেট নিয়ে বহুদিন ধরে বিভ্রান্তি, ক্ষোভ এবং অনিশ্চয়তা চলছিল। বিশেষজ্ঞ কমিটির এই রিপোর্ট প্রকাশের পর পরিস্থিতি অনেকটাই পরিষ্কার হল। এখন নজর পরীক্ষার্থীরা, রিপোর্ট ওয়েবসাইটে প্রকাশের পরে কে কী নম্বর পেল, তা দেখেই নির্দিষ্ট সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যাবে।