সবটাই সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) হাতে। শীর্ষ আদালত যদি মনে করে রিভিউ করবে তাহলে করতে পারে, আবার নাও করতে পারে। যোগ্য চাকরিহারাদের (SSC Job Deprived Teachers) বুঝিয়ে বলতে হবে যে তাঁদের কোনও দোষ নেই। তাহলেই সুপ্রিম কোর্ট ভাবতে পারেন। চাকরিহারাদের একাংশের সঙ্গে আলোচনা করে বেরিয়ে এমনটাই বললেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Gangopadhyay)।
.jpeg.webp)
অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়
শেষ আপডেট: 25 May 2025 14:47
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সবটাই সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) হাতে। শীর্ষ আদালত যদি মনে করে রিভিউ করবে তাহলে করতে পারে, আবার নাও করতে পারে। যোগ্য চাকরিহারাদের (SSC Job Deprived Teachers) বুঝিয়ে বলতে হবে যে তাঁদের কোনও দোষ নেই। তাহলেই সুপ্রিম কোর্ট ভাবতে পারেন। চাকরিহারাদের একাংশের সঙ্গে আলোচনা করে বেরিয়ে এমনটাই বললেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Gangopadhyay)।
আন্দোলন কোন পথে হবে, ওএমআর শিটের মিরর ইমেজ থেকে কীভাবে যোগ্য-অযোগ্য বাছাই করা সম্ভব, যাবতীয় আইনি পরামর্শ নিতে রোববার তমলুকের বিজেপি সাংসদের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন চাকরিহারাদের একাংশ। প্রথম থেকে হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি বলেছিলেন বটে যে রাজ্য চাইলে কমিটি তৈরি করে যদি একটা সুরাহার পথ বের করতে পারে তাহলে তিনি সঙ্গে থাকবেন। কিন্তু অভিজিতের বক্তব্য, সে পথে হাঁটেইনি রাজ্য। বরং শিক্ষকদের লাঠিপেটা করেছেন। কাজেই তিনি যে কমিটিতে থেকে কোনও পথ বাতলে দেবেন, সেই রাস্তাই রাখেনি সরকার।
তাঁর কথায়, এখন একমাত্র যা করার সুপ্রিম কোর্টই করতে পারে। চাকরিহারাদের রিভিউ করা উচিত। শীর্ষ আদালত যদি মনে করে কিছু করবে, তাহলেই সমাধান সম্ভব। এখন চাকরিহারাদের আশায় বুক বেঁধে রাখতে হবে। রিভিউ পিটিশিনে অনেক কথা বলার থাকে। চাকরিহারাদের বোঝাতে হবে যে তাঁদের কোনও দোষ ছিল না। এরপর আদালত যদি মনে করে ভেবে দেখবে, তাহলে দেখবে।
অভিজিতের স্পষ্ট কথা, শিক্ষাদুর্নীতি প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি। এর দায় এক এবং একমাত্র রাজ্য সরকারের। রাজ্য সরকারে কোনও সদিচ্ছাই নেই চাকরিহারাদের সমস্যা সমাধানে। ইচ্ছাকৃত রাজ্য সরকার ধোঁয়াশা জিইয়ে রাখছে। তাঁর কথায়, "মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে সহানুভূতির কথা বলেন সেটা রাজনৈতিক ধান্দা। উনি রাজনীতি ছাড়া কিছু বোঝেন না। করেন না।"
বস্তুত, শনিবার আইনজীবী তথা সিপিএম নেতা বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্যও (Bikash Ranjan Bhattacharya) চাকরিহারাদের পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দিয়েছেন, যতই আন্দোলন হোক চাকরি তাঁরা ফিরে পাবেন না। স্বাভাবিকভাবেই এই কথা শুনে আশাহত হয়েছেন চাকরিহারাদের একাংশ।