স্থানীয়দের অভিযোগ, বারবার কাউন্সিলরকে জানানো হলেও পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি।

ফাইল ছবি
শেষ আপডেট: 27 September 2025 18:06
দ্য ওয়াল ব্যুরো: পুজোর মুখে রাস্তাঘাটে জমা জল (waterlogging) নিয়ে আতঙ্কে ভুগছেন কলকাতাবাসী। শহরে ফের জমা জলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যুর ঘটনা (electrocution death) ঘটল, এবার সরশুনার ক্ষুদিরাম পল্লীতে (Behala Sarsuna)।
এ দিন সকালে দোকানের শাটার তুলতে গিয়ে প্রাণ হারালেন সুমন্তী দেবী। বয়স ৬২ বছর। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, জমা জলে দাঁড়িয়ে দোকানের দরজা খুলছিলেন তিনি। সেই সময় শাটার বিদ্যুতের সংস্পর্শে চলে আসে। বিষয়টি টের পাননি সুমন্তী দেবী, আর সেখানেই বিপত্তি। বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন তিনি।
তাঁকে উদ্ধারের জন্য এগিয়ে আসেন আরও দু’জন। তবে তাঁরাও জখম হন। যদিও তাঁরা বেঁচে যান, কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি সুমন্তী দেবীর। দুর্গাপুজোর আবহে হঠাৎ এই মৃত্যুতে শোকাচ্ছন্ন পুরো এলাকা।
ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে ফুঁসছেন স্থানীয়রা। তাঁদের দাবি, এলাকায় ড্রেনেজ ব্যবস্থার দশা বেহাল, কোনও সিস্টেম নেই বললেই চলে। ফলে বর্ষা নামলেই বিপদের আশঙ্কায় থাকতে হয় সকলকে। জল জমে থাকে দিনের পর দিন। কোনও উপায়ও নেই।
এই ঘটনার পর জলের মধ্যে দিয়ে হাঁটতে গিয়ে আতঙ্কে ভুগছেন বাসিন্দারা। তাঁদের আশঙ্কা, চারপাশে বাড়িতে ছোট ছোট বাচ্চারা রয়েছে, যে কোনও মুহূর্তে ঘটতে পারে আরও বড়সড় অঘটন। স্থানীয়দের অভিযোগ, বারবার কাউন্সিলরকে জানানো হলেও পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি।
উল্লেখ্য, মহালয়ার পর থেকে টানা বৃষ্টিতে জলমগ্ন হয়েছিল গোটা কলকাতা। শুধু রাজধানী শহরেই নয়, আশপাশের এলাকাতেও জল জমে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে প্রাণ হারান অন্তত ৯ জন। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের মৃত্যু দেখল শহর।