সূত্রের খবর, ‘শ্রেয়ী’ নামে একটি সংস্থার কর্ণধার সুনীল কানোরিয়া এবং হেমন্ত কানোরিয়ার অফিস ও বাড়িতে পৌঁছন তদন্তকারীরা। আলিপুরের নিউ রোড এবং আলিপুর অ্যাভিনিউ - এই দুই জায়গাতেই তল্লাশি চলছে বলে জানা গেছে। পাশাপাশি, কলকাতার আরও কয়েকটি জায়গাতেও সিবিআইয়ের দল তল্লাশি চালাচ্ছে বলে জানা গেছে।

ফাইল ছবি
শেষ আপডেট: 29 January 2026 11:25
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সাতসকালে কলকাতায় (Kolkata CBI Raid) ফের সেন্ট্রাল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (CBI)-এর তল্লাশি অভিযান। প্রায় এক হাজার কোটি টাকার ব্যাঙ্ক প্রতারণার অভিযোগে (1,000 Crore Bank Fraud) শহরের একাধিক জায়গায় একযোগে অভিযান চালাচ্ছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা।
সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, ইউকো ব্যাঙ্কের (UCO Bank) তরফে দায়ের করা একটি প্রতারণা মামলার তদন্তে এই তল্লাশি। অভিযানের মূল কেন্দ্র কলকাতার আলিপুর এলাকা।
সূত্রের খবর, ‘শ্রেয়ী’ নামে একটি সংস্থার কর্ণধার সুনীল কানোরিয়া এবং হেমন্ত কানোরিয়ার অফিস ও বাড়িতে পৌঁছন তদন্তকারীরা। আলিপুরের নিউ রোড এবং আলিপুর অ্যাভিনিউ - এই দুই জায়গাতেই তল্লাশি চলছে বলে জানা গেছে। পাশাপাশি, কলকাতার আরও কয়েকটি জায়গাতেও সিবিআইয়ের দল তল্লাশি (CBI Raid) চালাচ্ছে বলে জানা গেছে।
সিবিআই সূত্রে জানানো হয়েছে, প্রথমে আলিপুরের নিউ রোডে এক ব্যবসায়ীর আবাসন এবং অফিসে যান তদন্তকারীরা। কিন্তু সেখানে কাউকে পাওয়া যায়নি। তার পরেই আলিপুর অ্যাভিনিউয়ের আর একটি ঠিকানায় পৌঁছন তাঁরা। এখনও পর্যন্ত দুই জায়গাতেই অভিযুক্ত ব্যবসায়ী সুনীল কানোরিয়ার দেখা মেলেনি বলে দাবি কেন্দ্রীয় সংস্থার।
এই মামলাটি নতুন নয়। অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৪ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত প্রায় ছ’বছর ধরে একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক থেকে দফায় দফায় বিপুল অঙ্কের ঋণ তুলে তা নয়ছয় করা হয়েছে। প্রথমে প্রায় ৭৩০ কোটি টাকা এবং পরে আরও ২৬০ কোটি টাকা ঋণ নেওয়া হয়। সব মিলিয়ে প্রতারণার অঙ্ক প্রায় এক হাজার কোটি টাকা বলে তদন্তকারী সংস্থার দাবি।
এই আর্থিক কেলেঙ্কারির তদন্ত আগে সিবিআই ছাড়াও অন্য কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলি করেছে। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-ও তদন্তে নেমেছিল। বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়। পরবর্তী সময়ে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে সিবিআই এই মামলার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু করে।
মামলায় দু'জন ব্যবসায়ী, দু'টি সংস্থা এবং অজ্ঞাতপরিচয় এক সরকারি কর্মচারীর নাম জড়িয়েছে বলে সিবিআই সূত্রে জানানো হয়েছে। ভারতীয় দণ্ডবিধির ১২০(বি) ধারার পাশাপাশি দুর্নীতি দমন আইনের বিভিন্ন ধারায় মামলা দায়ের হয়েছে। সেই মামলার তদন্তেই মঙ্গলবার সকালে অভিযুক্তদের বাড়ি ও অফিসে তল্লাশি চালানো হচ্ছে বলে জানিয়েছে সিবিআই।