সরকারি চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নামে প্রতারণার অভিযোগে বিদ্ধ হয়েছেন সিঁথি থানার সহকারী সাব-ইনস্পেক্টর (ASI) অর্জুন সাহা। তাঁর বিরুদ্ধে বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে।

অভিযুক্ত পুলিশ আধিকারিক
শেষ আপডেট: 10 July 2025 14:13
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আর্থিক প্রতারণার (Monetary Fraud) অভিযোগ এবার খোদ পুলিশের (Kolkata Police) বিরুদ্ধেই। সিঁথি থানার কনস্টবলের (Sinthi PS Constable) চাকরি দেওয়ার নামে লক্ষ লক্ষ টাকা জালিয়াতি করেছেন বলে দাবি। যদিও নিজের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ওই পুলিশ কর্মী।
সরকারি চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নামে প্রতারণার অভিযোগে বিদ্ধ হয়েছেন সিঁথি থানার সহকারী সাব-ইনস্পেক্টর (ASI) অর্জুন সাহা। তাঁর বিরুদ্ধে বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুর থানায় (Bishnupur PS) লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে। দাবি করা হয়েছে, কনস্টেবল পদে কর্মরত থাকার সময় নিজের ভাইপোর কাছ থেকে প্রাথমিক শিক্ষক পদে নিয়োগের নামে ১২ লক্ষ টাকা নেন। কিন্তু টাকা নেওয়ার পরও চাকরি মেলেনি।
শুধু তাই নয়, অপর একটি ঘটনায় এক পরিচিতকে সেচ দফতরে চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে টাকা তোলার অভিযোগও উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। ওই ব্যক্তি অভিযোগ করেছেন, তাঁকে রাজ্যের একটি সরকারি দফতরে নিয়ে গিয়ে মিথ্যে আশ্বাস দিয়ে কিছুদিনের জন্য ২২ হাজার টাকা স্টাইপেন্ড পাইয়ে দেওয়া হয়, যাতে চাকরি ‘আসল’ বলে মনে হয়। কিন্তু পরে আর চাকরি হয়নি। ওই স্টাইপেন্ড দেওয়ার পিছনেও প্রতারণার চক্রান্ত ছিল বলেই দাবি অভিযোগকারীর।
বিষ্ণুপুর থানায় দায়ের হওয়া লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। যদিও অভিযুক্ত এএসআই সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছেন, ‘‘এটি একটি পুরোটাই পারিবারিক বিবাদের জেরে আমাকে ফাঁসানোর চেষ্টা। আমার যাতে চাকরি যায় তাই এসব অভিযোগ করা হচ্ছে। আমি গরিব। আমার পরিবারের সঙ্গে ওদের আগে থেকে সমস্যা ছিল।"
তবে পুলিশের মতো পদে থাকা এক কর্মীর বিরুদ্ধে এমন গুরুতর অভিযোগ সামনে আসায় গোটা ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। চাকরি প্রার্থীদের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগ সামনে আসায়, তদন্তকারী পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। তাঁরা কি আদৌ সত্যিটা সামনে আনবেন?