এই মণ্ডপের মাধ্যমে দর্শকদের বার্তা দেওয়া হচ্ছে যে জ্ঞান বদলায় সমাজকে, শিক্ষা দেয় শক্তি। প্রতিদিন প্রায় হাজার হাজার মানুষ মণ্ডপ পরিদর্শনে আসে। থিম ও নকশার জন্য দর্শকেরা বিশেষভাবে উৎসাহিত।

ফাইল চিত্র
শেষ আপডেট: 29 September 2025 19:35
দ্য ওয়াল ব্যুরো: দর্শনার্থীদের জন্য সাময়িক বন্ধ রাখা হল অর্জুনপুরের আমরা সবাই ক্লাবের (Arjunpur Amra Sobai Club) পুজো মণ্ডপ। উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, প্রযুক্তিগত গোলযোগের কারণে মণ্ডপে ভিতরের কিছু সিস্টেম ঠিকমতো কাজ করছিল না। পুজোয় (DURGAPUJA 2025) দর্শনার্থীদের নিরাপদ এবং সুন্দর অভিজ্ঞতা দিতে সোমবার সকাল ৭টা থেকে মণ্ডপে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। দ্রুত সমস্যা মিটিয়ে ফের সকলের জন্য দরজা খুলে দেওয়া হবে।
১৯৭৩ সালে যাত্রা শুরু করা এই ক্লাব প্রতি বছরই সৃজনশীল থিমের পুজোর জন্য পরিচিত। এবারে তাঁদের থিম ‘মুখোমুখি’। এই ধারণার মধ্যে দিয়ে দেবীর সঙ্গে সরাসরি সংযোগ এবং নিজের অন্তরের শক্তির সঙ্গে সাক্ষাৎ করার ভাবনা ফুটে উঠেছে। মণ্ডপের কেন্দ্রে স্টেইনলেস স্টিলের কাইনেটিক কাঠামো এবং মাতৃশক্তির প্রতিমা দর্শকদের মুগ্ধ করছে। চলতি বছর শহরের ভাইরাল পুজোগুলির মধ্যে অন্যতম এই অর্জুনপুর।
উদ্যোক্তারা জানাচ্ছেন, এই মণ্ডপের মাধ্যমে দর্শকদের বার্তা দেওয়া হচ্ছে যে জ্ঞান বদলায় সমাজকে, শিক্ষা দেয় শক্তি। প্রতিদিন প্রায় হাজার হাজার মানুষ মণ্ডপ পরিদর্শনে আসে। থিম ও নকশার জন্য দর্শকেরা বিশেষভাবে উৎসাহিত। মণ্ডপের প্রযুক্তিগত সমস্যা সাময়িক হলেও দর্শকদের অভিজ্ঞতা খারাপ না হওয়ার জন্য দ্রুত সমাধান করা হচ্ছে। পাশাপাশি, দর্শনার্থীদের সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে মণ্ডপের সামনের অংশ স্থানান্তরিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুজো কমিটি। নিজেদের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানানো হয়েছে তাদের তরফে।
উদ্যোক্তাদের মতে, পুজো কেবল উৎসব নয়, এটি সমাজে শিক্ষার বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ারও একটি মাধ্যম। ‘মুখোমুখি’ থিম দর্শকদের মনে দারুণ অনুপ্রেরণা জাগাচ্ছে। সমস্যা সমাধানের পর মণ্ডপটি আবার খুলে দেওয়া হবে, যাতে দর্শকরা দুর্গাপুজোর প্রতিটি অভিজ্ঞতা সঠিকভাবে উপভোগ করতে পারেন।
এবারের শারদোৎসবে সামিল হয়েছিল 'দ্য ওয়াল'। 'দ্য ওয়াল'। 'কেওকার্পিন প্রেজেন্টস দ্য ওয়াল শারদ শ্রেষ্ঠ ২০২৫' (The Wall Sharod Shrestho 2025) পুরস্কারের হাত ধরে স্বীকৃত ও সম্মানিত হল শহরের বেশ কিছু সেরা পুজো। দ্য ওয়ালের বিচারে সেরা পুজো হল, অর্জুনপুর আমরা সবাই ক্লাব। তারা প্রশংসা পেল কেবলই পুজোসজ্জার কারণে নয়, তারা পেয়েছে লোকজ আদি-আবেগ আর সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে স্বতন্ত্র এক পুজো গড়ে তোলার জন্য। পুজোর হাওয়ায় হাওয়ায় যেন উচ্ছ্বাস ফেটে পড়ে এই প্রথম জয়ের আনন্দে।