পুলিশের (Kolkata Police) প্রাথমিক অনুমান অতিরিক্ত মাদকসেবনের (Overdose of Drugs ) কারণেই মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে।

প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 26 August 2025 09:24
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আনন্দপুর থানা (Anandapur PS) এলাকার একটি হোটেল থেকে অচৈতন্য অবস্থায় উদ্ধার বার ডান্সার (Bar Dancer Death)। হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাঁকে মৃত (Bar Dancer Death) বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকেরা। পুলিশের (Kolkata Police) প্রাথমিক অনুমান অতিরিক্ত মাদকসেবনের (Overdose of Drugs ) কারণেই মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে।
অন্যদিকে, বাইপাসের কাছে গাছে উদ্ধার হয়েছে এক ব্যক্তির ঝুলন্ত দেহ। প্রায় ৩০ ফুট উচ্চতায় মেলে বছর পঞ্চাশের ব্যক্তির দেহ। আত্মহত্যা বলে প্রাথমিক অনুমান পুলিশের। নোনাডাঙায় বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় ওই মহিলার দেহ। আত্মঘাতী বলে প্রাথমিক অনুমান পুলিশের।
টানা কয়েক দিনের ব্যবধানে ভিন্ন ভিন্ন ঘটনার গোটা এলাকায় চাঞ্চল্য। বার ডান্সারের মৃত্যুর ঘটনার আগে বাইপাস লাগোয়া একটি গাছের ডাল থেকে উদ্ধার হয় প্রায় পঞ্চাশোর্ধ্ব এক ব্যক্তির ঝুলন্ত দেহ। উচ্চতা প্রায় ৩০ ফুট। পুলিশের ধারণা, ঘটনাটি আত্মহত্যা।
আরেকটি ঘটনা নোনাডাঙার। নিজের বাড়ি থেকেই উদ্ধার হয় এক মহিলার দেহ। এখানেও প্রাথমিক অনুমান আত্মঘাতী হয়েছেন ওই মহিলা।
ক'দিন আগেই নিখোঁজ হওয়া দুই তরুণ-তরুণীর দেহ মিলেছিল নোনাডাঙা খালে। মৃতদেহ উদ্ধারের পর থেকে জল্পনা তুঙ্গে ওঠে।
পুলিশ সূত্রে খবর, মৃত যুবকের নাম রোহিত আগরওয়াল ওরফে বুল্লু (১৯), বাড়ি আনন্দপুরের পঞ্চান্নগ্রামে। তরুণীর নাম রণিতা বৈদ্য (২৩), তিনিও একই এলাকার বাসিন্দা। সোমবার রাত থেকেই তাঁদের খোঁজ মিলছিল না। রণিতা রোহিতের কাছেই স্কুটার চালানো শিখছিলেন বলে জানা গিয়েছে।
সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছে, ঘটনার প্রায় ৪৫ মিনিট আগে দু’জনের মধ্যে তীব্র ঝগড়া হয়, যা গড়ায় হাতাহাতিতেও। রাত ৯টা নাগাদ শেষবার তাঁদের একসঙ্গে দেখা যায় খালের ধারঘেঁষা রাস্তায়। এরপরই ফুটেজে ধরা পড়ে, দৌড়ে খালের দিকে যাচ্ছেন রণিতা। কিছুক্ষণ পরেই স্কুটার ফেলে পেছনে যান রোহিত।
স্থানীয় এক বাসিন্দা জানান, হঠাৎই ‘ঝুপ্’ করে কিছু পড়ে যাওয়ার শব্দ পান তিনি। তবে খালের সেই অংশে ক্যামেরা না থাকায় ঠিক কী ঘটেছিল তা অধরাই থেকে যায়। বহু ঘণ্টার তল্লাশির পর মঙ্গলবার দুপুরে প্রথমে রোহিতের দেহ, কিছুক্ষণের মধ্যেই উদ্ধার হয় রণিতার দেহ।
প্রেমের সম্পর্কে জড়িত ছিলেন দু’জনেই— এমনটাই দাবি স্থানীয়দের। কীভাবে খালে তাঁদের মৃত্যু হল, তা নিয়ে পুলিশি তদন্ত চলছে। ডুবুরি থেকে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী, স্নিফার ডগ, সবাইকে কাজে লাগিয়ে রাতভর চলেছিল খোঁজ। শেষমেশ ভোরবেলা দেহ মেলে। আনন্দপুর এলাকায় টানা একের পর এক অস্বাভাবিক মৃত্যুতে রীতিমতো চাপে পড়েছে পুলিশ।