পুলিশের এমন কাজের প্রশংসা করছেন সকলেই।

কলকাতা পুলিশের ভিডিওর অংশ বিশেষ।
শেষ আপডেট: 26 May 2025 20:42
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সব পুলিশ খারাপ হয় না। ফের আবারও সেই নজির তৈরি হল।
সোমবার দুপুর। গঙ্গার বুকে পারাপার করছে লঞ্চ। আচমকা তেমনই একটি লঞ্চ থেকে মাঝ গঙ্গায় (Middle of the Ganges) ঝাঁপ দিলেন এক গৃহবধূ (Bride। ঘটনার আকস্মিকতায় সহযাত্রীদের মুখ থেকে যখন কথা সরছে না, ঠিক তখনই লঞ্চে নজরদারির দায়িত্বে থাকা কলকাতা পুলিশের (Kolkata Police) রিভার বিভাগের এক কর্মী অত্যন্ত দ্রুততা ও পেশাদারিত্বের সাথে মহিলাকে উদ্ধারে ঝাঁপ দিলেন। স্রোতের মধ্যেই উদ্ধার করলেন মহিলাকে।
ইদানিং লঞ্চ থেকে ঝাঁপ দেওয়ার প্রবণতা বৃদ্ধি পাওয়ায় পুলিশের তরফে আলাদা করে স্পিডবোটে করেও গঙ্গায় নজরদারি চালানো হয়। দ্রুততার সঙ্গে পুলিশের তেমনই একটি স্পিডবোটও ঘটনাস্থলে পৌঁছে গেল। তারপরে মহিলাকে উদ্ধার করে তুলে দেওয়া হল নর্থ পোর্ট থানার হাতে। পুলিশ সূত্রের খবর, প্রাথমিক চিকিৎসার পর ওই মহিলা সুস্থ রয়েছেন।
জানা যাচ্ছে, পারিবারিক সমস্যার জেরেই নিজের জীবনকে এদিন শেষ করতে দিতে চেয়েছিলেন ওই বধূ। তবে পুলিশের তৎপরতায় তাঁর প্রাণ বেঁচে গিয়েছে। স্বভাবতই, পুলিশের এমন কাজের প্রশংসা করছেন সকলেই।
কীভাবে মহিলাকে অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে উদ্ধার করা হয়েছে, সন্ধেই সোশ্যাল মাধ্যমে তার একটি ভিডিও ক্লিপিংসও কলকাতা পুলিশের তরফে সোশ্যাল মাধ্যমে আপলোড করা হয়েছে। ক্যাপশনে লেখা, 'কলকাতা পুলিশ সব সময় আপনার পাশে।'
This afternoon, a woman jumped into the Hooghly river from a vessel. River Traffic police responded with remarkable promptness and professionalism and their swift actions ensured the woman was safely rescued. She was immediately brought ashore and provided necessary assistance… pic.twitter.com/C5J9IREMnf
— Kolkata Police (@KolkataPolice) May 26, 2025
এর আগে গত শনিবার চলন্ত লঞ্চ থেকে মাঝ গঙ্গায় ঝাঁপ দিয়েছিলেন এক দম্পতি। হাওড়ার সালকিয়া বাঁধাঘাট থেকে ভূতল পরিবহণের একটি লঞ্চে ওঠেন ওই দম্পতি।
কলকাতার আহিরিটোলা যাচ্ছিল লঞ্চটি। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, লঞ্চ মাঝ গঙ্গায় এলে দুজনে একসঙ্গে গঙ্গায় ঝাঁপ দেন। তাঁদের ঝাঁপ দিতে দেখে সঙ্গে সঙ্গে লঞ্চের কর্মীরা গঙ্গায় ঝাঁপিয়ে পড়েন। তৎপরতার সঙ্গে সেফটি টায়ারের সাহায্যে জীবিত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করা হয়।
জানা যায়, দম্পতি একমাত্র কন্যার মৃত্যুর পর থেকে মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন। সে কারণেই তাঁরা নিজেদের জীবন শেষ করে দেওয়ার চেষ্টা করেন। ওই ঘটনাতেও পুলিশের তরফে দম্পতির মানসিক কাউন্সেলিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে।