রাত আড়াইটে থেকে ভোর সাড়ে পাঁচটা - এই সময়ের মধ্যে কলকাতায় বৃষ্টিপাত হয়েছে ১৮৫.৬ মিলিমিটার! আর ২৪ ঘণ্টার হিসেবে ৯৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।

ফাইল ছবি
শেষ আপডেট: 23 September 2025 16:36
দ্য ওয়াল ব্যুরো: গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যের উপকূল এবং উপকূল সংলগ্ন জেলায় ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি (Heavy Rain) হয়েছে। আর কলকাতায় (Kolkata) সবথেকে বেশি বৃষ্টি হয়েছে রাত ২টো ৩০ মিনিট থেকে ভোর ৫টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত। এমনটাই জানাল আলিপুর আবহাওয়া দফতর (Weather Office)। মূলত নিম্নচাপের কারণেই এই বৃষ্টিপাত হয়েছে বলে জানিয়েছে তাঁরা।
রাত আড়াইটে থেকে ভোর সাড়ে পাঁচটা - এই সময়ের মধ্যে কলকাতায় বৃষ্টিপাত হয়েছে ১৮৫.৬ মিলিমিটার! আর ২৪ ঘণ্টার হিসেবে ৯৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে নিম্নচাপের প্রভাবে কলকাতা এবং সংলগ্ন জেলায় প্রচুর পরিমাণে জলিয় বাষ্প পুঞ্জিভূত হয়েছিল। সেই কারণেই এত বৃষ্টি। এমনই জানিয়েছেন আলিপুর আবহাওয়া দফতর। স্পষ্ট করা হয়েছে যে, মেঘভাঙা বৃষ্টি এটা নয়। মূলত জলীয় বাষ্প এবং নিম্নচাপের এই বৃষ্টি।
এই নিম্নচাপের প্রভাবে রাজ্যের অন্যান্য জেলাতেও হালকা থেকে ভারী বৃষ্টি হয়েছে। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, এই মুহূর্তে ওড়িশা সংলগ্ন অঞ্চলে নিম্নচাপ অবস্থান করছে। ২৪ ঘণ্টায় তার অবস্থানের বদল ঘটবে না। তারপর ধীরে ধীরে উত্তর-পশ্চিম দিকে এগোবে এবং তা দুর্বল হবে। ফলত আগামী কয়েক ঘণ্টাতেও দক্ষিণবঙ্গে সমস্ত জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হবে। তবে কয়েকটি জেলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস মিলেছে।
হাওয়া অফিস জানিয়েছে, ভারী বৃষ্টিপাত হবে পুরুলিয়া, পূর্ব-পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া। কলকাতায় অবশ্য এখনই আর ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা নেই। তবে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি চলবে।
নতুন করে নিম্নচাপ তৈরি হবে ২৫ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার চতুর্থী তে। উত্তর-পশ্চিম এবং মধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় এই নিম্নচাপ তৈরি হবে। এটি ক্রমশ পশ্চিম দিকে এগোবে। পশ্চিম মধ্য ও উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগরে এই নিম্নচাপ গভীর নিম্নচাপে পরিণত হবে শুক্রবার পঞ্চমীর দিন। এর প্রভাব থাকবে দক্ষিণ ওড়িশা এবং উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে। ষষ্ঠীর দিন এটি ওড়িশা ও অন্ধ উপকূলে স্থলভাগে প্রবেশ করবে।
উত্তরবঙ্গে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা আপাতত নেই। বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা। বজ্রবিদ্যুৎ সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি বেশি হতে পারে মালদা ও দুই দিনাজপুর। শুক্রবার ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা পার্বত্য এলাকায় বিক্ষিপ্তভাবে।